সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় তীব্র তাপদাহের মধ্যে ঘনঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন চরম দুর্ভোগে পড়েছে। পল্লী বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন চলমান এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীরা।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দিনে-রাতে বারবার বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। অসহনীয় গরমে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও পরীক্ষার প্রস্তুতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় বিদ্যুৎ না থাকায় অনেক পরীক্ষার্থী মোমবাতি বা চার্জলাইটের আলোতে পড়তে বাধ্য হচ্ছে, যা তাদের চোখের জন্যও ক্ষতিকর হয়ে উঠছে।পরীক্ষার্থীরা জানায়, তীব্র গরমে ঠিকমতো ঘুমাতে না পারায় শারীরিক দুর্বলতা দেখা দিচ্ছে। ফলে পরীক্ষার হলে মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। এ অবস্থায় তাদের ফলাফলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অভিভাবকরা।কয়েকজন অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়েও যদি নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা না যায়, তাহলে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়বে।তারা দ্রুত লোডশেডিং কমিয়ে স্বাভাবিক বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানান।পরীক্ষার সময়সূচি বিবেচনায় এনে নির্দিষ্ট সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা, লোড ম্যানেজমেন্টে স্বচ্ছতা আনা এবং জরুরি ভিত্তিতে বিকল্প বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষকে নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবী জানান সলঙ্গার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগনেরা।নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকায় ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে ক্ষুদ্র-উদ্যোগতা সহ শিল্প কারখানার উৎপাদন। তাই জরুরি ভিত্তিতে বিকল্প বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ক্ষুদ্র-উদ্যোগতা সহ শিল্প কারখানার মালিকগন।এ বিষয়ে মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও রিসিভ করেননি, পল্লী বিদ্যুৎ সলঙ্গা সাব-জোনাল অফিসের এজিএম (ওঅ্যান্ডএম) মো. সামসুজ্জামান।