জধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট টিবি হাসপাতালকে শিগগিরই জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল হিসেবে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে যক্ষ্মা রোগের চিকিৎসা ও নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি রোগ নির্ণয়, গবেষণা ও প্রশিক্ষণের সুযোগ সম্প্রসারিত হবে এবং হাসপাতালটির চিকিৎসাসেবার সক্ষমতা বাড়বে।সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) শ্যামলীতে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট টিবি হাসপাতালের সম্মেলনকক্ষে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ তথ্য জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এবং হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ববি হাজ্জাজ।প্রতিমন্ত্রী বলেন, যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে হাসপাতালটিকে একটি আধুনিক, সমন্বিত ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের শূন্য পদ দ্রুত পূরণেরও উদ্যোগ নেওয়া হবে।তিনি বলেন, সেবার মানোন্নয়ন ও হাসপাতালের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে জনবল সংকট দূর করা জরুরি। এ জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রোগীদের মানসম্মত ও নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।হাসপাতালের সেবার পরিধি ও সক্ষমতা বাড়াতে ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।এ ছাড়া হাসপাতালের সামনের ফুটপাত দখলমুক্ত করে রোগী ও সাধারণ মানুষের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী।সভা শেষে হাসপাতাল পরিদর্শন করেন ববি হাজ্জাজ। তিনি বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে রোগীদের চিকিৎসাসেবা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনার বিষয়ে খোঁজখবর নেন। রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা শোনেন এবং সেগুলো সমাধানে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।পরে হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।ববি হাজ্জাজ বলেন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা প্রতিটি রোগীর প্রতি মানবিক ও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতে হবে। রোগীরা যেন কোনো ধরনের ভোগান্তির শিকার না হন, সে বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যসচিব ও উপপরিচালক ডা. আয়শা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, সমাজসেবা অধিদপ্তর এবং হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।