লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতাসহ পাঁচজনকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের হাজিমারা বাজারে এ ঘটনা ঘটে।আহতরা হলেন—ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এরশাদ মাঝি, বিএনপি কর্মী মহসিন কবির, দাদন মাঝি, মানিক মাঝি এবং যুবদল নেতা কবির হোসেন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে গুরুতর আহত তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগআহতদের অভিযোগ, দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মিজানুর রহমান রাসেল ব্যাপারী ও আমির হোসেনের নেতৃত্বে সোহেল, বাবু, হানিফ, জাকির, জহির, জামালসহ অজ্ঞাতনামা প্রায় ৩০ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় রামদা ও চাপাতিসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাদের কুপিয়ে জখম করা হয়।ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এরশাদ মাঝি বলেন, সকালে একটি তুচ্ছ বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি মীমাংসা করে দেন। তবে পূর্ববিরোধের জেরে বিকেলে রাসেল ব্যাপারী ও আমির হোসেনের নেতৃত্বে কয়েকজন তাদের ওপর হামলা চালায়।আহত মহসিন কবির বলেন, সকালে কী নিয়ে ঝামেলা হয়েছিল, তা তিনি জানতেন না। বিকেলে বাজারে যাওয়ার পথে অটোরিকশা থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গে তার ওপর হামলা হয়। তাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে এলে তার বাবা দাদন মাঝি, চাচা এরশাদ মাঝি, মানিক মাঝি ও ভাই কবির হোসেনও হামলার শিকার হন। এতে তার বাবা গুরুতর আহত হন।অভিযুক্তের পাল্টা বক্তব্যঅভিযোগ অস্বীকার করে রাসেল ব্যাপারী বলেন, বিকেলে তার ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছিল। পরে তাদের লোকজন তাদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তাদের পক্ষের একজনও হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।পুলিশের বক্তব্যরায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, হাজিমারা বাজারে হামলার ঘটনায় কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।