ক্যাপাসিটি চার্জে দেড় দশকে পরিশোধ ২ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকাদেশের বিদ্যুৎ খাতে বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান—আইপিপি এবং ভারতের আদানি পাওয়ারের ওপর নির্ভরতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন সক্ষমতার বিপরীতে ক্যাপাসিটি চার্জ, ডলারে পরিশোধযোগ্য বিল এবং দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির বিভিন্ন শর্তের কারণে রাষ্ট্র আর্থিক চাপের মধ্যে পড়ছে বলে সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ মনে করছেন। অন্যদিকে, বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র মালিকদের সংগঠন বলছে, তারা সরকারের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তির শর্তের বাইরে কোনো সুবিধা দাবি করছে না।প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, দেশের গ্রিডভিত্তিক মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার প্রায় ৪৩ থেকে ৪৫ শতাংশ বেসরকারি আইপিপিগুলোর। সামিট পাওয়ার, ইউনাইটেড পাওয়ার, ওরিয়ন গ্রুপ, কনফিডেন্স পাওয়ার ও ডরিন পাওয়ারসহ বিভিন্ন দেশীয় ও যৌথ মালিকানার প্রতিষ্ঠান বিদ্যুৎ সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।ক্যাপাসিটি চার্জে বড় ব্যয়চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ নেওয়া হোক বা না হোক, চুক্তির আওতায় নির্দিষ্ট অর্থ পরিশোধ করতে হয় অনেক আইপিপিকে। গত দেড় দশকে অলস আইপিপি ও রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে শুধু ক্যাপাসিটি চার্জ বাবদ প্রায় ২ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।আদানি পাওয়ারের ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা কেন্দ্রের ক্ষেত্রেও দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি রয়েছে। কেন্দ্রটি থেকে বিদ্যুৎ না নিলেও বছরে প্রায় ৫ হাজার ৮০০ কোটি