দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বিদায় নেওয়ায় দেশের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমেছে। এতে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে। তবে বাতাসের আর্দ্রতা কম থাকায় আগের মতো অস্বস্তিকর ভ্যাপসা গরমের আশঙ্কা তুলনামূলক কম। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন দেশের বেশির ভাগ এলাকায় আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। তবে উপকূলীয় অঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।উপকূলে বৃষ্টি, ঢাকায়ও হতে পারেমঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু এলাকা ছাড়া দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।আগামী বুধবার থেকে পরবর্তী তিন দিন খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টির প্রবণতা বাড়তে পারে। কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি, এমনকি ভারি বৃষ্টিও হতে পারে। রাজধানী ঢাকায়ও হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের সম্ভাবনাআবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। তবে এটি দুর্বল অবস্থায় বাংলাদেশের উপকূল থেকে দূরে থাকলে দেশের আবহাওয়ায় বড় ধরনের প্রভাব নাও ফেলতে পারে।আবহাওয়াবিদ আব্দুল হামিদ বলেন, মৌসুমি বায়ু বিদায় নেওয়ার অর্থ বৃষ্টি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়া নয়। বিচ্ছিন্নভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হতে পারে। উত্তর ও দক্ষিণ দিকের বায়ুর সংমিশ্রণে বুধবার থেকে উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টির প্রবণতা বাড়তে পারে। এ সময় ঢাকাতেও হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪.৯ ডিগ্রিঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টা আকাশ পরিষ্কার ও আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। উত্তর বা উত্তর-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৫ থেকে ১০ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।মঙ্গলবার সকাল ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা ছিল ২৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৮৫ শতাংশ। আগের দিন সোমবার রাজধানীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই দিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় সন্দ্বীপে, ৩৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় কোনো বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়নি।মৌসুমি বায়ু বিদায়, নজর বঙ্গোপসাগরেগত শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ থেকে বিদায় নেয় দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু। এর আগে ৬ জুন টেকনাফ উপকূল দিয়ে দেশে প্রবেশের পর প্রায় চার মাস সক্রিয় ছিল এই বায়ুপ্রবাহ।আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক বলেন, দেশের মোট বৃষ্টিপাতের প্রায় ৭২ শতাংশ বর্ষাকালে হয়ে থাকে। তবে অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ কিংবা ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হলে বৃষ্টিপাত হতে পারে। এ কারণে মৌসুমি বায়ু বিদায় নেওয়ার পরও সাগরের পরিস্থিত