যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে চীনের অর্থায়নে পরিচালিত কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটগুলোকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টিকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে চিহ্নিত করেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে চীনের প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা, মেধাস্বত্ব চুরি এবং মার্কিন শিক্ষার্থীদের চিন্তাভাবনায় প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ তুলেছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে হেগসেথ এ ঘোষণা দেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এসব প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টিকারী প্রতিষ্ঠানের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।নতুন পরিচয়ে কার্যক্রম চালানোর অভিযোগওয়াশিংটন দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটগুলো চীনের প্রচারযন্ত্র হিসেবে কাজ করে। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্র এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সীমিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।পিট হেগসেথের দাবি, মার্কিন কংগ্রেসের বিধিনিষেধের পরও কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটগুলো ভিন্ন পরিচয় ও সনদ ব্যবহার করে কার্যক্রম চালিয়ে গেছে। তিনি এসব প্রতিষ্ঠানকে ‘স্লিপার অর্গানাইজেশন’ বা সুপ্ত সংগঠন হিসেবে আখ্যা দেন।ভিডিওতে হেগসেথ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ৩০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন নাম ও ভিন্ন সনদে ৮০টি নতুন প্রচারকেন্দ্র গড়ে উঠেছিল। তাঁর অভিযোগ, এসব প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য ছিল মেধাস্বত্ব চুরি করা এবং মার্কিন শিক্ষার্থীদের চিন্তাভাবনায় প্রভাব বিস্তার করা।পেন্টাগনের পদক্ষেপের দাবিমার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, চীন সরকারের সমর্থনে পরিচালিত সাংস্কৃতিক কর্মসূচিগুলো মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রবেশ করেছে এবং কংগ্রেসের বিধিনিষেধের পর নতুন পরিচয়ে আবার কার্যক্রম শুরু করেছে। তিনি আরও দাবি করেন, গত দুই মাসে পেন্টাগন পদ্ধতিগতভাবে এসব প্রতিষ্ঠান ভেঙে দিয়েছে।এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে ওয়াশিংটনে চীনা দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল বার্তা সংস্থা রয়টার্স। তবে দূতাবাস এ অনুরোধে সাড়া দেয়নি।তথ্যসূত্র:,আলজাজিরার বরাতে চীনা দূতাবাসের বক্তব্য জানতে রয়টার্সের যোগাযোগসংক্রান্ত তথ্য।