সংবিধান সংশোধন কমিটির সভায় অংশ নেবে না এবি পার্টি

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২০ দুপুর
  • ৫৪৬৫ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com.monirulbd.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এর স্বাক্ষরকারী রাজনৈতিক দল ও জোটের প্রতিনিধিদের নিয়ে অনুষ্ঠেয় সংবিধান সংশোধন কমিটির মতবিনিময় সভায় অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)।

রোববার দুপুরে দলটির সহকারী প্রচার সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আজাদের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে দলের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে দলটির সিদ্ধান্তের কথা জানান।

চিঠিতে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দীর্ঘ সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র সংস্কারের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে তৈরি হয়েছে, তা বাস্তবায়নের অন্যতম ভিত্তি হলো জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের গণরায়। জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং পরবর্তী গণভোটের মাধ্যমে সাংবিধানিক সংস্কারের বিষয়ে জনগণের সম্মতি নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, গণভোটে অনুমোদিত সংস্কার বাস্তবায়নে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সমন্বয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে নির্ধারিত সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় সংস্কার সম্পন্ন করার কথা ছিল। কিন্তু এর পরিবর্তে সংসদীয় ‘সংবিধান সংশোধন কমিটি’ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ কমিটির সাংবিধানিক ক্ষমতা ও কার্যপরিধি রাষ্ট্রের মৌলিক কাঠামোগত সংস্কার সম্পন্ন করার জন্য যথেষ্ট নয়।

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি

এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক বলেন, জনগণের গণরায় ও জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে রাষ্ট্রের মৌলিক সংস্কার নিয়ে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, সীমিত ক্ষমতাসম্পন্ন সংসদীয় কমিটির মাধ্যমে তা পূরণ করা সম্ভব নয়। ফলে এ ধরনের কমিটির সামনে মতামত দেওয়া জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের মূল উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন এবং গণভোটের গণরায় কার্যকর করতে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে নির্ধারিত সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

এ অবস্থান থেকে ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য সংবিধান সংশোধন কমিটির সভায় এবি পার্টির কোনো প্রতিনিধি অংশ নেবে না বলে জানানো হয়েছে।

দলটি মনে করে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগ, জনগণের প্রত্যাশা এবং গণভোটের রায়ের প্রতি সম্মান দেখিয়ে রাষ্ট্রীয় সংস্কার প্রক্রিয়া পরিচালনা করা সংশ্লিষ্ট সবার সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক দায়িত্ব।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad