সরেজমিনে দেখা যায়, ভূমি সংক্রান্ত জরুরি কাজ, খাজনা পরিশোধ, নামজারি ও মিসকেসের কাজে সকাল ৯টা থেকেই সেবাগ্রহীতারা অফিসের সামনে অপেক্ষা করছেন। কিন্তু দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রধান ফটকে তালা ঝুলতে দেখা যায়। এ সময় কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীকেও অফিসে পাওয়া যায়নি।
দূরদূরান্ত থেকে আসা সেবাগ্রহীতাদের অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফিরে যান। কাদির ও হোসেন নামের দুই সেবাগ্রহীতা বলেন, সকাল ৯টা থেকে তারা অফিসের সামনে অপেক্ষা করছেন। জরুরি কাজে এসে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীকে না পাওয়ায় তাদের দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে।
‘বিপদে আছি, তাই আসতে পারিনি’অফিস বন্ধ থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে চরভৈরবী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন বলেন, তিনি বিপদে থাকায় অফিসে যেতে পারেননি। তবে তিনি পথে রয়েছেন এবং অফিসে আসছেন। অফিসসহায়কও আসেননি এবং তাকে বিষয়টি জানানো হয়নি বলে জানান তিনি।
ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ইউএনওরসরকারি সময়সূচি অনুযায়ী অফিসে উপস্থিত না থাকার বিষয়ে হাইমচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নজরুল ইসলাম বলেন, নির্ধারিত সময়ে কেউ অনুপস্থিত থাকলে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ও বিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় সেবাগ্রহীতাদের প্রশ্ন, সরকারি ভূমি অফিসে নিয়মিত সেবা নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষ কার্যকর ব্যবস্থা নেবে কবে।
তথ্যসূত্র: দৈনিক আমার দেশ, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬; সরেজমিন তথ্য, স্থানীয় সেবাগ্রহীতা ও হাইমচর উপজেলা প্রশাসনের বক্তব্য।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক