দেবীগঞ্জে পৃথক বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নারীসহ দুজনের মৃত্যু

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০৪ দুপুর
  • ৮০৬০ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com.monirulbd.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg ছবি: সংগৃহীত
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে পৃথক ঘটনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নারীসহ দুজনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকালে সদর ইউনিয়নের সাহাপাড়া এবং বিকেলে সোনাহার মল্লিকাদহ ইউনিয়নের মাস্টার এলাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন—সদর ইউনিয়নের সাহাপাড়া এলাকার মোছা. আলেফা বেগম (৫৫) এবং সোনাহার মল্লিকাদহ ইউনিয়নের মাস্টার এলাকার জামিনুর রহমান (৪৮)।

বাড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট নারী

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে নিজ বাড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন আলেফা বেগম। পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

১১ হাজার ভোল্টের তারে স্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু

একই দিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সোনাহার মল্লিকাদহ ইউনিয়নের মাস্টার এলাকায় নিজ বাড়ির নবনির্মিত বাথরুমের ছাদ পরিষ্কার করতে যান জামিনুর রহমান।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ছাদে থাকা ঢালাইয়ের ইট নিচে ফেলে দেওয়ার পর পলিথিন সরাতে গিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়ান জামিনুর। এ সময় ছাদের ওপর দিয়ে যাওয়া ১১ হাজার ভোল্টের উচ্চচাপের অরক্ষিত বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের সংস্পর্শে এলে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিচে পড়ে যান।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে পথেই তার মৃত্যু হয়।

সোনাহার মল্লিকাদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মশিউর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, জামিনুরের বাড়ির ওপর দিয়ে যাওয়া বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনে কোনো সুরক্ষামূলক কাভার ছিল না। বাথরুমের ছাদ পরিষ্কার করার সময় অসাবধানতাবশত তিনি ১১ হাজার ভোল্টের তারে স্পৃষ্ট হন।

এ বিষয়ে দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুসা মিয়ার বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
Sidebar Ad