স্থানীয়রা জানান, রতনপুর-ছাতিয়াইন সড়কটি মাধবপুর ছাড়াও নাসিরনগর ও লাখাই উপজেলার মানুষের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ। প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে স্কুল-কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী, রোগীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যাতায়াত করেন। সড়কের বেহাল দশায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন রোগী ও শিক্ষার্থীরা।
বৃষ্টিতে বাড়ে দুর্ভোগসরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন অংশের পিচ উঠে গিয়ে ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত তৈরি হয়েছে। বৃষ্টির সময় গর্তগুলো পানিতে ডুবে যাওয়ায় সড়কের কোথায় কতটা গভীর গর্ত রয়েছে, তা বোঝার উপায় থাকে না। এতে সিএনজি অটোরিকশা, মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে।
সিএনজি অটোরিকশাচালক রহিম মিয়া বলেন, বৃষ্টি হলে গর্তগুলো পানিতে ডুবে যায়। তখন যাত্রী নিয়ে চলাচলের সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কায় থাকতে হয়। দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা প্রয়োজন।
স্থানীয় যাত্রী লাভলী আক্তার বলেন, প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে হাজারো মানুষ চলাচল করেন। শিক্ষার্থী ও রোগীদের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি। দ্রুত সংস্কার না হলে মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে।
শিগগির সংস্কারের আশ্বাসমাধবপুর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মো. সামছ্ জাবেদ বলেন, রতনপুর-ছাতিয়াইন সড়কটি হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনের সংসদ সদস্য এস এম ফয়সলের মাধ্যমে ‘সিলেট বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়ক প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ’ (ডিপিপি) প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
তিনি জানান, একই প্রকল্পের আওতায় মাধবপুর-চৌমুহনী বাজার, রতনপুর-শাহজাহানপুর ও মাধবপুর-নাসিরনগর সড়কও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। খুব শিগগির এসব সড়কের কাজ শুরু হবে বলে জানান তিনি।
দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে দ্রুত রতনপুর-ছাতিয়াইন সড়কের সংস্কারকাজ শুরু এবং তা যথাযথভাবে সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক