পশ্চিমবঙ্গের তথ্য-সংস্কৃতি দপ্তরের উপদেষ্টা হলেন মিঠুন চক্রবর্তী,

  • প্রথম দর্পণ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫২ দুপুর
  • ৮০৪৪ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com.monirulbd.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg মিঠুন চক্রবর্তী
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা ও বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী। এ দায়িত্বে তাকে ক্যাবিনেট মন্ত্রীর মর্যাদা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মী ও প্রশাসনিক সংস্কার দপ্তর থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নিয়োগের কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, রাজ্যপাল মিঠুন চক্রবর্তীকে তথ্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক দপ্তরে রাজ্য সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। নিয়োগটি অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে।

প্রশাসনিক মহলের ধারণা, নতুন দায়িত্বে মিঠুনের নির্দিষ্ট ভূমিকা ও কাজের পরিধি পরবর্তী সময়ে স্পষ্ট করা হবে। নবান্ন সূত্র জানিয়েছে, শিগগিরই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

বর্তমানে আলিপুরদুয়ারে একটি চলচ্চিত্রের শুটিংয়ে রয়েছেন মিঠুন। সেখান থেকেই নতুন দায়িত্ব দেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।

আগেই দেওয়া হয়েছিল দায়িত্বের ইঙ্গিত

সম্প্রতি নিউ টাউনে উত্তম কুমার ফিল্ম সেন্টারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে মিঠুনকে রাজ্য সরকারের সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা করার ঘোষণা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বাংলা চলচ্চিত্রে মিঠুনের দীর্ঘ অবদান এবং পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে তার সম্পর্ক বিবেচনায় নিয়েই তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছিলেন তিনি।

উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ উদ্‌যাপনসহ পর্যটন ও সংস্কৃতিসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে এর আগেও মিঠুনের পরামর্শ নিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার।

রাজনীতিতে মিঠুন

মিঠুন চক্রবর্তী ২০২১ সালে বিজেপিতে যোগ দেন। এর আগে ২০১৪ সালে তৃণমূল কংগ্রেস তাকে রাজ্যসভায় মনোনীত করেছিল। তবে ২০১৬ সালে তিনি রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেন।

পাঁচ দশকের বেশি সময়ের চলচ্চিত্রজীবনে বাংলা ও হিন্দি সিনেমায় অভিনয়ের পাশাপাশি বেশ কিছু চলচ্চিত্র প্রযোজনাও করেছেন মিঠুন। বাংলা চলচ্চিত্রে তার জনপ্রিয় পরিচিতি ‘মহাগুরু’ হিসেবে।

নতুন দায়িত্বের মাধ্যমে এবার পশ্চিমবঙ্গের সরকারি তথ্য ও সংস্কৃতি কার্যক্রমে তার দীর্ঘ চলচ্চিত্র ও সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হলো।

তথ্যসূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মী ও প্রশাসনিক সংস্কার দপ্তরের বিজ্ঞপ্তি।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
Sidebar Ad