রাজস্ব ঘাটতির মধ্যে বড় ব্যয়, চাপে নবম পে স্কেল

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com.monirulbd.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg ছবি: সংগৃহীত।

জ্বালানি সংকট, রাজস্ব আহরণে স্থবিরতা ও দীর্ঘমেয়াদি উচ্চ মূল্যস্ফীতির মতো অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেই সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো অনুমোদন করেছে সরকার। নতুন পে স্কেলে সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এই বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় বিপুল অর্থের সংস্থান সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা।

নতুন পে স্কেলের অতিরিক্ত ব্যয় মেটানোর পাশাপাশি মূল্যস্ফীতির সম্ভাব্য চাপ সামলানো এবং বেসরকারি খাতের সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রাখাই সরকারের সামনে বড় পরীক্ষা হয়ে উঠছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় হবে ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা। ২০২৮ সালের জানুয়ারিতে সব ধরনের ভাতা একযোগে কার্যকর করা হলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতে বছরে সরকারের মোট ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা।

এই ব্যয়ের পরিমাণ গত অর্থবছরে সরকারের আহরিত রাজস্বের প্রায় অর্ধেক। অন্যদিকে চলতি অর্থবছরেই নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সরকারের অতিরিক্ত প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, সরকারি কর্মীদের আয় বাড়লে তাঁদের ক্রয়ক্ষমতা ও ভোগব্যয় বাড়তে পারে। এর ফলে বাজারে পণ্য ও সেবার চাহিদা বাড়ার পাশাপাশি সরবরাহের সঙ্গে সামঞ্জস্য না থাকলে মূল্যস্ফীতির ওপরও বাড়তি চাপ তৈরি হতে পারে। একই সময়ে রাজস্ব আহরণে কাঙ্ক্ষিত গতি না থাকায় অতিরিক্ত এই ব্যয় সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

ফলে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে ভারসাম্য বজায় রাখাকে সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad