রংপুরে সপ্তাহের ব্যবধানে চড়া সবজির বাজার, বেড়েছে ডিমের দাম

  • প্রথম দর্পণ অনলাইন,ডেক্স
  • আপলোড সময় : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৯ দুপুর
  • ৮৮১১ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com.monirulbd.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
রংপুর নগরীর খুচরা বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে অধিকাংশ সবজির দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে পোলট্রি মুরগির ডিমের দামও কিছুটা বেড়েছে। তবে মাছ, মাংস ও অধিকাংশ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম মোটামুটি অপরিবর্তিত রয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি গাজর ১৫০-১৬০ টাকা, পটোল ৫০-৬০ টাকা, মুলা ৪০-৫০ টাকা, চালকুমড়া ৪০-৫০ টাকা, লেবু প্রতি হালি ২৫-৩০ টাকা, গোল বেগুন ৮০-১০০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৫০-৬০ টাকা, বরবটি ৬০-৭০ টাকা, করলা ৭০-৮০ টাকা, কচুরলতি ৬০-৭০ টাকা এবং মিষ্টিকুমড়া ৫০-৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এর মধ্যে গত সপ্তাহের তুলনায় গাজরের দাম কেজিতে ৩০-৪০ টাকা, পটোল ১০ টাকা, মুলা ৫-১০ টাকা, চালকুমড়া ১০ টাকা, লেবু প্রতি হালিতে ১০ টাকা, গোল বেগুন ১০-২০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ১০ টাকা, বরবটি ১০ টাকা, করলা ১০ টাকা এবং কচুরলতি ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। তবে ঝিংগার দাম কমে ৬০-৭০ টাকা হয়েছে।

টমেটো ১০০-১২০ টাকা, কাঁচকলা প্রতি হালি ২৫-৩০ টাকা, সজনে ডাঁটা ১৮০-২০০ টাকা, দুধকুষি ৩৫-৪০ টাকা, শসা ৪০-৫০ টাকা, চিকন বেগুন ৬০-৭০ টাকা, পেঁপে ২০-২৫ টাকা, শিম ১৮০-২০০ টাকা, লাউ ৩০-৪০ টাকা, কচুরমুখী ৩৫-৪০ টাকা এবং ধনেপাতা ১৮০-২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের শাকের আঁটি বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ৩০ টাকায়।

আলুর মধ্যে কার্ডিনাল ২০-২৫ টাকা, দেশি সাদা আলু ২৫-৩০ টাকা, বগুড়ার লাল পাকড়ি ২৫-৩০ টাকা, শিল আলু ৪৫-৫০ টাকা এবং ঝাউ আলু ৪০-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। শুকনো মরিচের দাম রয়েছে ৪৫০-৫০০ টাকা কেজি।

কমেছে দেশি আদা ও কাঁচামরিচের দাম

বাজারে দেশি নতুন আদার দাম কমে ১০০-১২০ টাকা হয়েছে। আমদানি করা আদা ১৪০-১৬০ টাকা, দেশি রসুন ১০০-১২০ টাকা এবং ভারতীয় রসুন ১৬০-১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচের দাম সামান্য কমে ১৩০-১৪০ টাকা এবং পেঁয়াজ ৪০-৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে খুচরা বাজারে প্রতি হালি ডিম বিক্রি হচ্ছে ৫০-৫২ টাকায়। মুলাটোল আমতলা বাজারের ডিম বিক্রেতা মিরাজুল ইসলাম বলেন, সর্বশেষ পাইকারি বাজারে প্রতি হালি ডিমের দাম ছিল ৪৮-৫০ টাকা। সামান্য লাভ রেখে খুচরা বাজারে ৫০-৫২ টাকায় বিক্রি করছেন তারা।

একই বাজারের সবজি বিক্রেতা শাহীন জানান, সপ্তাহের ব্যবধানে অধিকাংশ সবজির দাম ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

অপরিবর্তিত মুরগি-মাংসের বাজার

রংপুরের বাজারে ব্রয়লার মুরগি ১৭০-১৮০ টাকা, পাকিস্তানি সোনালি ৩১০-৩২০ টাকা, পাকিস্তানি হাইব্রিড ২৮০-২৯০ টাকা, পাকিস্তানি লেয়ার ৩৪০-৩৫০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৫৪০-৫৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এসবের দাম গত সপ্তাহের তুলনায় অপরিবর্তিত রয়েছে।

মডার্ন মোড়ের মুরগি বিক্রেতা শফিকুল ইসলাম বলেন, সাধারণত মাসের শেষ সপ্তাহে মুরগির চাহিদা কম থাকে। ফলে দামও গত সপ্তাহের মতোই রয়েছে।

গরুর মাংস ৭২০-৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার থেকে ১ হাজার ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

তেল-ডাল-চালের বাজারেও বড় পরিবর্তন নেই

খুচরা বাজারে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ২০৫-২১০ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল ২০০-২২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। চিকন মসুর ডাল ১৭০-১৮০ টাকা, মাঝারি মসুর ডাল ১১০-১২০ টাকা, চিকন মুগডাল ১৭০-১৮০ টাকা এবং বুটের ডাল ১১০-১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

খোলা চিনির দাম বেড়ে ১১৫-১২০ টাকা হয়েছে। ছোলাবুট ৯০-১০০ টাকা, প্যাকেট আটা ৬০-৬৫ টাকা, খোলা আটা ৫০-৫৫ টাকা এবং প্যাকেট ময়দা ৭৫-৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

চালের বাজারে স্বর্ণা মোটা ৪৮-৫০ টাকা, স্বর্ণা চিকন ৫২-৫৫ টাকা, বিআর-২৮ ৬০-৬৫ টাকা, বিআর-২৯ ৫৫-৬০ টাকা, জিরাশাইল ৫৫-৬০ টাকা, মিনিকেট ৮০-৮৫ টাকা এবং নাজিরশাইল ৮৫-৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। খোলা আতপ চাল ২০০-২১০ টাকা এবং প্যাকেট চাল ২৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের দাম স্থিতিশীল

মাছের বাজারে রুই ২৫০-৪৫০ টাকা, টেংরা ৪০০-৬০০ টাকা, কই ২০০-৫০০ টাকা, মৃগেল ২৫০-৩০০ টাকা, কারপু ২০০-৩০০ টাকা, পাঙাস ১৫০-২০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৫০-২২০ টাকা, কাতল ৩০০-৫০০ টাকা, বাটা ১৫০-২৫০ টাকা, শিং ৩০০-৫০০ টাকা, সিলভার কার্প ১২০-২৫০ টাকা এবং গছিমাছ ৮০০-১ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad