বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংস্থাটি ব্রিটিশ নাগরিক ও শিখ অধিকারকর্মী জগতার সিং জোহালের মামলাকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে এ আহ্বান জানায়। দিল্লি হাইকোর্ট ১৮ সেপ্টেম্বর ইউএপিএ-সংক্রান্ত মামলায় জোহালকে জামিন দেয়। তবে তার বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি গুরুতর অভিযোগের মামলা চলমান রয়েছে।
খালিদ ও ইমামের মুক্তির আহ্বানUSCIRF বলেছে, উমর খালিদ ও শারজিল ইমামসহ কয়েকজন ‘ধর্মীয় স্বাধীনতা বা বিশ্বাসের স্বাধীনতা’ সংশ্লিষ্ট বন্দি দীর্ঘদিন ধরে বিচার শুরুর অপেক্ষায় কারাগারে রয়েছেন। ২০২০ সালের দিল্লি দাঙ্গা-সংক্রান্ত ষড়যন্ত্র মামলায় খালিদ ও ইমাম প্রায় ছয় বছর ধরে বিচারপূর্ব আটক রয়েছেন এবং তাদের বিচার এখনো শুরু হয়নি।
সংস্থাটির অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার কারণে তাদের বিরুদ্ধে ইউএপিএসহ বিভিন্ন আইনে মামলা করা হয়েছে। USCIRF-এর ২০২৬ সালের প্রতিবেদনেও খালিদ ও ইমামকে বিচার ছাড়াই দীর্ঘদিন আটক থাকার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
জোহালের মামলা নিয়ে বিতর্কজগতার সিং জোহালকে ২০১৭ সালে পাঞ্জাবে গ্রেপ্তার করা হয়। ২০১৬-১৭ সালে পাঞ্জাবের বিভিন্ন এলাকায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও হত্যাচেষ্টার ঘটনায় তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। USCIRF তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে মিথ্যা ও অন্যায্য বলে দাবি করেছে এবং তার দীর্ঘ আটককে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের দমনের বৃহত্তর প্রবণতার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
তবে এসব অভিযোগ ও USCIRF-এর মূল্যায়ন ভারতের পক্ষ থেকে অতীতে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। নয়াদিল্লি কমিশনের প্রতিবেদনকে ‘পক্ষপাতদুষ্ট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে অভিহিত করেছে। সর্বশেষ বিবৃতির বিষয়ে ভারত সরকারের নতুন কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এ ছাড়া USCIRF-এর ২০২৬ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে ভারতকে ‘বিশেষ উদ্বেগের দেশ’ হিসেবে চিহ্নিত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের কাছে সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রথম দর্পণ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক