শনিবার আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও মহানগরীর প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার, উপস্থিত ছিলেন মহানগরী মজলিসে শূরা সদস্য ডা.মঈন উদ্দিন, আব্দুল্লাহ মুয়াজ ও মনিরুল ইসলাম মৃধা প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাহফুজুর রহমান বলেন, সন্ত্রাসীরা “রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে রাতের আঁধারে লুটপাট করেই শান্ত হয়নি, ভাঙচুর করে তা মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে।”
তিনি বলেন, গত এক দশক ধরে অসহায় মানুষের স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসা একটি প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনা ন্যক্কারজনক। সভ্য সমাজে রাতের আঁধারে একটি মানবিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, “সরকারের প্রশাসন কোথায় ছিল? নাকি আমরা মেনে নেব, সরকার ও প্রশাসনকে ম্যানেজ করে এই হামলা হয়েছে?”
মাহফুজুর রহমান বলেন, সরকারের কাছে তারা সুস্থ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং জড়িতদের বিচারের মাধ্যমে ন্যায় প্রতিষ্ঠার দাবি জানাচ্ছেন। গরিব-দুঃখী মানুষের সেবা দেওয়া প্রতিষ্ঠানের দিকে নজর দিলে ভালো হবে না বলেও তিনি সতর্ক করেন।
তিনি আরও বলেন, “১৮ কোটি মানুষের ওপর যারা জুলুম করবে, তাদের হাত ভেঙে দেওয়া হবে।”
মিছিলটি শাহ আলী মাজার গেইট থেকে শুরু হয়ে মিরপুর-১ গোলচত্বরে এসে পথসভার মাধ্যমে শেষ হয়।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক