সন্তানকে রেখে কাজে গিয়ে বিমানে তিন ঘণ্টা কেঁদেছিলেন পরিণীতি

  • প্রথম দর্পণ,বিনোদন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৮ দুপুর
  • ৯৬৪৮ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com.monirulbd.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
মাতৃত্বের পর প্রথমবার সন্তানকে রেখে কাজের প্রয়োজনে মুম্বাই যাওয়ার সময় বিমানে টানা তিন ঘণ্টা কেঁদেছিলেন বলিউড অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়া। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মাতৃত্বের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে এ কথা জানান তিনি।

পরিণীতি জানান, সন্তান জন্মের পর প্রথম কয়েক মাস ছেলেকে চোখের আড়াল করতে চাইতেন না। কিন্তু কাজের প্রয়োজনে একসময় সন্তানকে বাড়িতে রেখে বাইরে যেতে হয়। ওই যাত্রার বিস্তারিত এখন আর তার মনে নেই। বিমানবন্দরে কীভাবে পৌঁছেছেন, কীভাবে বিমানে উঠেছেন কিংবা মুম্বাইয়ে কীভাবে পৌঁছেছেন—কিছুই মনে নেই। শুধু মনে আছে, পুরো তিন ঘণ্টা তিনি কেঁদেছিলেন।

অভিনেত্রীর ভাষ্য, সন্তানকে রেখে কাজে বের হওয়ার সময় তার মধ্যে তীব্র অপরাধবোধ তৈরি হয়েছিল। এটি শুধু প্রচলিত ‘মম গিল্ট’-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না; একপর্যায়ে তার মনে হয়েছিল, হয়তো আর কখনো কাজ করতে পারবেন না।

পরিবারের কাছে নিরাপদেই ছিল সন্তান

তবে ছেলেকে নিয়ে বাস্তবে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ ছিল না বলে জানান পরিণীতি। সন্তান পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে নিরাপদেই বাড়িতে ছিল এবং তার অনুপস্থিতির কারণে শিশুটির কোনো সমস্যাও হয়নি। বরং পরিবারের সদস্যরা তাকে আরও কিছুদিন বাইরে থেকে কাজ চালিয়ে যাওয়ার উৎসাহ দিয়েছিলেন।

তারপরও নিজের ভেতরের অপরাধবোধ কাটিয়ে ওঠা সহজ হয়নি বলে জানান অভিনেত্রী। তার মতে, মায়েদের এই অনুভূতি অনেক সময় অত্যন্ত তীব্র হয়ে ওঠে।

পেশা ও মাতৃত্ব নিয়ে সামাজিক প্রত্যাশা

পরিণীতির মতে, মায়েদের এই অপরাধবোধের পেছনে মাতৃত্বের স্বাভাবিক অনুভূতির পাশাপাশি সামাজিক প্রত্যাশারও ভূমিকা রয়েছে। সন্তানকে ঘিরে সমাজের তৈরি করা নানা ধারণা অনেক সময় মায়েদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করে।

কাজের প্রয়োজনে বাইরে গেলে অনেক নারীও তাকে সন্তানের বিষয়ে প্রশ্ন করেন বলে জানান পরিণীতি। তারা জানতে চান, ‘আপনার বাচ্চা কোথায়?’ জবাবে তিনি জানান, সন্তান বাড়িতেই আছে।

অভিনেত্রীর মতে, একজন মা সন্তানকে ভালোবাসার পাশাপাশি নিজের পেশাগত জীবনও চালিয়ে যেতে পারেন—সমাজের কাছে বিষয়টি আরও স্বাভাবিকভাবে গ্রহণযোগ্য হওয়া প্রয়োজন।

তথ্যসূত্র: যুগান্তর, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
Sidebar Ad