রোববার রাতে উপজেলার কদমশ্রী বালই নদীসংলগ্ন মসুয়া হাওরের একটি বিলে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তিনটি মসজিদ ও একটি কবরস্থানের নামে প্রায় ১৩ লাখ টাকায় মসুয়া হাওরের বিলটি ইজারা নেন রোমান মিয়াসহ কয়েকজন অংশীদার। রোববার রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে প্রতিবেশী ফরসুদ মিয়াকে বিলের মধ্যে দেখা যায়। তাঁকে ডাকাডাকি করা হলেও তিনি নিজের পরিচয় না দিয়ে অন্য দিক দিয়ে চলে যান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরদিন সকালে বিলের সব মাছ মরে পানিতে ভেসে উঠতে দেখা যায়। এতে প্রায় ২৫ লাখ টাকার মাছ নষ্ট হয়েছে বলে দাবি করেছেন ইজারাদাররা।
একজনের নাম উল্লেখ করে অভিযোগঘটনার পর বিলের অংশীদার রোমান মিয়া একই গ্রামের জিলু মিয়ার ছেলে ফরসুদ মিয়াকে অভিযুক্ত করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও চার-পাঁচজনের বিরুদ্ধে মদন থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফরসুদ মিয়া। তিনি বলেন, ‘আমি বিলে বিষ দিইনি, আমাকে মিথ্যাভাবে ফাঁসানো হচ্ছে।’
মদন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অসীম কুমার বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক