শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিশেষ এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন দলের এ অবস্থান তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, “যতদিন পর্যন্ত গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না হবে, ততদিন আমরা ১১ দলের সঙ্গে আছি এবং থাকব। ১১ দলীয় ঐক্যের প্রতিটি কর্মসূচিতেও আমরা সক্রিয় থাকব। আমাদের প্রধান ও মুখ্য দাবি হলো জুলাই সনদ ও গণভোটের বাস্তবায়ন।”
স্থানীয় নির্বাচনে পৃথক ঐক্যের উদ্যোগহেফাজতে ইসলামের তত্ত্বাবধানে কওমি ধারার সমমনা সাতটি রাজনৈতিক দলের ঐক্যপ্রচেষ্টা প্রসঙ্গে আতাউল্লাহ আমীন বলেন, প্রতিটি রাজনৈতিক দলের নিজস্ব কর্মপদ্ধতি, রাজনৈতিক অবস্থান ও সাংগঠনিক দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে।
তিনি জানান, জামায়াতে ইসলামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসও নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ লক্ষ্যেই ইসলামি দলগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও ঐক্য গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আতাউল্লাহ আমীনের ভাষ্য অনুযায়ী, হেফাজতে ইসলামের উদ্যোগে সাতটি ইসলামি দলের একত্র হওয়া বৃহত্তর নির্বাচনী প্ল্যাটফর্ম গঠনের প্রাথমিক পদক্ষেপ। এই সাত দলের পাশাপাশি অন্যান্য সমমনা ইসলামি দলকেও একত্র করে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
জাতীয় ও স্থানীয় রাজনীতিতে পৃথক কৌশলবাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের অবস্থানে জাতীয় ও স্থানীয় রাজনীতির ক্ষেত্রে দুটি পৃথক কৌশল স্পষ্ট হয়েছে। গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের কর্মসূচিতে দলটি সক্রিয় থাকবে। অন্যদিকে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইসলামি দলগুলোর অংশগ্রহণ ও নির্বাচনী সমঝোতার জন্য পৃথক বৃহত্তর প্ল্যাটফর্ম গঠনের চেষ্টা চালাবে।
দলটির বক্তব্য অনুযায়ী, স্থানীয় নির্বাচনে নতুন নির্বাচনী সমীকরণ তৈরির উদ্যোগ ১১ দলীয় ঐক্য থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা নয়; বরং জাতীয় পর্যায়ের অভিন্ন দাবির পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে নির্বাচনী সক্ষমতা বাড়ানোর কৌশল।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক