কিরগিজ প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের প্রেস সার্ভিস জানায়, ক্যালিফোর্নিয়ার ভ্যান্ডেনবার্গ স্পেস ফোর্স বেস থেকে উৎক্ষেপিত ফ্যালকন-৯ রকেটের সঙ্গে আরও কয়েকটি মহাকাশযান ছিল। সেগুলোর বহরের অংশ হিসেবেই কিরগিজ স্যাটেলাইটটি নির্দিষ্ট কক্ষপথে স্থাপন করা হয়।
কিরগিজস্তান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের যৌথ উদ্যোগে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। স্যাটেলাইটটির নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা হবে কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে স্থাপিত একটি নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র থেকে।
যুক্তরাষ্ট্র সফরের অংশ হিসেবে উৎক্ষেপণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কিরগিজস্তানের প্রেসিডেন্ট সাদির জাপারভ।
কিরগিজ প্রেসিডেন্টের কার্যালয় বলেছে, দেশের প্রথম স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের ফলে কৃষি, পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনায় মহাকাশভিত্তিক তথ্য ব্যবহারের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
স্যাটেলাইটের মাধ্যমে কৃষিজমি, হিমবাহ, জলাশয়, বনাঞ্চল ও চারণভূমির পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা যাবে। পাশাপাশি প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্রে পরিবর্তনের বিষয়েও নিয়মিত নজরদারি চালানো সম্ভব হবে।
এ ছাড়া অবৈধভাবে প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ, অনুমোদনহীন বর্জ্য ফেলার স্থান এবং বিভিন্ন ধরনের দূষণের উৎস শনাক্ত করতেও স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া তথ্য কাজে লাগানো হবে। পরিবহন ব্যবস্থা ও পণ্য সরবরাহের পথ আরও কার্যকর করতেও এসব তথ্য ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।
কিরগিজস্তানের জন্য প্রথম স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের ঘটনাকে, মহাকাশ প্রযুক্তি এবং স্যাটেলাইটনির্ভর তথ্য ব্যবহারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক