বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, রাশিয়া থেকে ছেড়ে আসা বিমানটি ভারতে যাত্রাবিরতি করে ঢাকায় আসবে।
এর আগে গত ২৪ সেপ্টেম্বর ইউরেনিয়ামের চালান দেশে আসার কথা থাকলেও তা বাতিল করা হয়। ওই চালান গ্রহণে রাশিয়া ও বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছিল।
৯ চালানে আসবে জ্বালানিসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য সাতটি এবং প্রথম ইউনিটের রিফুয়েলিংয়ের জন্য দুটি কার্গোতে মোট নয়টি চালানে পারমাণবিক জ্বালানি দেশে আনা হবে।
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি করপোরেশন জানিয়েছে, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে পুরো জ্বালানি সরবরাহ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রথম ইউনিটের কমিশনিংয়ে অগ্রগতিএদিকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের কমিশনিং কার্যক্রমেও অগ্রগতি হয়েছে। গত বুধবার সকালে ১৬ মেগাপাসকেল উচ্চচাপে প্রেসার-অপারেটেড রিলিফ ভাল্ভের পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত পারমাণবিক সংস্থা রোসাটম জানিয়েছে, ত্রুটি মেরামতের পর মঙ্গলবার রাতে পরীক্ষা শুরু হয় এবং বুধবার সকালে তা সফলভাবে শেষ হয়। প্রধান নিয়ন্ত্রণকক্ষ ও জরুরি নিয়ন্ত্রণকক্ষ—দুই জায়গা থেকেই পরীক্ষা পরিচালনা করা হয়।
পরীক্ষায় নিয়ন্ত্রণ ভাল্বগুলোর কার্যকারিতা, সংশ্লিষ্ট প্রধান নিরাপত্তা ভাল্বের কার্যক্রম ও প্রতিক্রিয়া যাচাই করা হয়। একই সঙ্গে ভাল্বের খোলা ও বন্ধ হওয়ার প্রক্রিয়া, অ্যালার্ম এবং সংশ্লিষ্ট কারিগরি বিষয়গুলোও পর্যবেক্ষণ করা হয়। অনুমোদিত পদ্ধতি ও নির্ধারিত নিরাপত্তা শর্ত মেনেই পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে বলে জানায় রোসাটম।
উৎপাদন সক্ষমতা ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটরাশিয়ার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় রোসাটম ও এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান পাবনার ঈশ্বরদীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করছে। কেন্দ্রটির দুটি ইউনিটের মোট উৎপাদন সক্ষমতা ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট।

প্রথম দর্পণ,জাতীয় ডেস্ক