রোববার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মন্ত্রী।
চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগকর্তার ডাটাবেসমন্ত্রী বলেন, দেশের সব কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে জব ফেয়ার ও ক্যারিয়ার ফেয়ারের মাধ্যমে আগ্রহী চাকরিপ্রার্থীদের একটি পূর্ণাঙ্গ ডাটাবেস তৈরি করা হবে। একই সঙ্গে বিভিন্ন শিল্পকারখানা ও প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক-কর্মীর চাহিদা চিহ্নিত করে অনলাইন ও অফলাইন—দুই ধরনের ডাটাবেস প্রস্তুত করা হবে।
এর মাধ্যমে একদিকে চাকরিপ্রার্থীদের যোগ্যতা ও আগ্রহের তথ্য সংরক্ষণ করা হবে, অন্যদিকে কোন খাতে কত জনবল প্রয়োজন, সে তথ্যও পাওয়া যাবে। ফলে চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগকর্তার মধ্যে সরাসরি সংযোগ স্থাপনের সুযোগ তৈরি হবে।
পর্যায়ক্রমে ৬৪ জেলায় সম্প্রসারণমন্ত্রী জানান, চলতি বছরের ডিসেম্বরেই ঢাকায় পরীক্ষামূলকভাবে সেন্টারটির কার্যক্রম শুরু হবে। পরে পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি বিভাগ এবং ৬৪ জেলায় এর কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেন, বর্তমান সরকার নির্বাচনি ইশতেহারে ‘এম্প্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’ চালু এবং দেশব্যাপী ক্যারিয়ার ফেয়ার আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সেই প্রতিশ্রুতির ধারাবাহিকতায় শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি মূলধারার শিক্ষার বাইরে থাকা চাকরিপ্রত্যাশীদেরও শ্রমবাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, দেশের বড় শক্তি হচ্ছে তরুণ জনগোষ্ঠী ও ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড। আধুনিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী কোন খাতে কী ধরনের দক্ষতা প্রয়োজন, তা চিহ্নিত করে তরুণদের প্রশিক্ষিত করার পরিকল্পনাও সেন্টারের কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দক্ষতা উন্নয়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যৌথ অংশীদারত্বের মাধ্যমে তরুণদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করা হবে বলে জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক মো. ফরহাদ সিদ্দিক, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আবদুর রহিম খান এবং শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুছ সামাদ আল আজাদ উপস্থিত ছিলেন।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক