রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেলে মিরপুরের আলোক হাসপাতাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। সোমবার তার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।
কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মাহমুদুল হাসান নিজ বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ঘটনার সময় বাসায় অন্য কেউ ছিলেন না।
পুলিশ জানায়, পরিবারের সদস্যরা বাসায় ফিরে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাকে উদ্ধার করে মিরপুরের আলোক হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মাহমুদুল হাসানের গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধা জেলায়। তার মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্নের পর ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
পুলিশের ভাষ্য, তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কী কারণে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন, তা এখনো জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক