সুন্দরবনে অপহৃত ২১ জেলে ১২ দিনেও উদ্ধার হয়নি

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com.monirulbd.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg সুন্দরবন
সুন্দরবনে মাছ ধরতে গিয়ে বনদস্যুদের হাতে অপহৃত ২১ জেলের ১২ দিনেও সন্ধান মেলেনি। শরণখোলা ও চাঁদপাই রেঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় পৃথক হামলা চালিয়ে এসব জেলেকে অপহরণ করা হয়। দীর্ঘ সময়েও তাদের উদ্ধার করতে না পারায় উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছে স্বজন ও জেলে পরিবারগুলো।

অপহৃত জেলেদের উদ্ধারে কোস্ট গার্ড ও বন বিভাগ অভিযান চালাচ্ছে। দস্যুদের সম্ভাব্য আস্তানা শনাক্ত করতে নৌপথে তল্লাশির পাশাপাশি ড্রোনের মাধ্যমেও নজরদারি চালানো হচ্ছে। তবে ১২ দিনেও অপহৃতদের অবস্থান নিশ্চিত না হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্ষমতা ও কার্যকর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বন বিভাগ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে সুন্দরবনের নারকেলবাড়িয়া, আমবাড়িয়া, ভদ্রা ও ভাঙা এলাকায় মাছ ধরার সময় জেলেদের ওপর পৃথক হামলা চালানো হয়। এসব ঘটনায় মজনু, করিম শরীফ ও বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্যরা জেলেদের অপহরণ করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় একটি মাছ ধরার ট্রলার, পাঁচটি মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন মালামাল লুটের তথ্যও পাওয়া গেছে।

গোপনে চলছে দর-কষাকষি

অপহরণের পর থেকেই জেলেদের পরিবার ও মহাজনদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন মহাজন জানান, জেলেদের মুক্ত করতে দস্যুদের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ ও দর-কষাকষি চলছে।

তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা বন বিভাগের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করার দাবি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির কথা বলা হলেও জেলে অপহরণের ঘটনায় দীর্ঘ সময়েও ভুক্তভোগীদের অবস্থান শনাক্ত না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম বলেন, অপহৃত জেলেদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সুন্দরবনে অবস্থানরত জেলেদের রাতে দলবদ্ধভাবে থাকার পাশাপাশি বন বিভাগের কার্যালয়ের আশপাশে অবস্থান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, বন বিভাগের বিভিন্ন স্টেশন ও টহল ফাঁড়িতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। অপহৃত জেলেদের উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

তথ্যসূত্র: বন বিভাগ ও স্থানীয় সূত্র।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
Sidebar Ad