উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত ভূঞাগাঁতী ইউনিয়নে ঘুড়কা ইউনিয়নের ১, ২, ৩ ও ৪ নম্বর ওয়ার্ড এবং চান্দাইকোনা ইউনিয়নের ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় জনগণের মতামত জানতে গত ৩০ সেপ্টেম্বর ইউএনও আবদুল খালেক পাটোয়ারী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এতে সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের গণশুনানিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল।
গণশুনানিতে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও আবদুল খালেক পাটোয়ারী, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রওশন কবির, রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান এবং সলঙ্গা থানার তদন্ত কর্মকর্তা মো. লুৎফর রহমান।
এ ছাড়া স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শুনানিতে অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শামসুল ইসলাম, সাবেক সহসভাপতি মো. সামছুল ইসলাম খান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক রানা, চান্দাইকোনা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আবুসামা সরকার, চান্দাইকোনা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান, ঘুড়কা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আইয়ুব আলী মণ্ডল ও গোলাম সরোয়ার দুলাল, ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হান্নান চৌধুরী, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ইয়াকুব আলী তালুকদার এবং বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন খান ও আলাউদ্দিন সরকারসহ অনেকে।
প্রশাসনিক সুবিধা ও উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা
শুনানিতে নতুন ইউনিয়ন গঠনের প্রয়োজনীয়তা, প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা, স্থানীয় উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। নতুন ইউনিয়ন গঠিত হলে বাসিন্দাদের সরকারি সেবা গ্রহণ সহজ হবে কি না, তা নিয়েও মতামত নেওয়া হয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতামত ও প্রস্তাব পর্যালোচনা করে নতুন ইউনিয়ন গঠনের যৌক্তিকতা মূল্যায়ন করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তবে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হলেও ভূঞাগাঁতী ইউনিয়ন গঠনের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। প্রস্তাবটি যাচাই-বাছাই এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

পারভেজ সরকার,স্টাফ রিপোর্টার