আসন্ন ৯ নম্বর হাটিকুমরুল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বিএনপির প্রবীণ নেতা মো. আব্দুল মজিদ খাঁন। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি প্রচারপত্রের মাধ্যমে তিনি ইউনিয়নবাসীর দোয়া, সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকার কারণে এলাকায় পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য মুখ হিসেবে পরিচিত আব্দুল মজিদ খাঁন এর আগে দুইবার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন। বিএনপির একজন জ্যেষ্ঠ নেতা হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।
প্রচারপত্রে তিনি সততা, সাম্য ও ন্যায়বিচারের আদর্শে একটি আধুনিক, মানবিক ও উন্নয়নমুখী ইউনিয়ন গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার তুলে ধরে শিক্ষাবান্ধব, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ হাটিকুমরুল গড়ার লক্ষ্য তুলে ধরেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল মজিদ খাঁন দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন। যুবসমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা, খেলাধুলা ও শিক্ষামূলক কার্যক্রমে উৎসাহ প্রদান এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে তিনি নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। শিক্ষা বিস্তার ও তরুণদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে নেওয়া তাঁর বিভিন্ন উদ্যোগ স্থানীয়দের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।
মো. আব্দুল মজিদ খাঁন বলেন, “পারস্পরিক সম্প্রীতি, ন্যায়বিচার, মানবিক মূল্যবোধ ও টেকসই উন্নয়নের ভিত্তিতে ইউনিয়নের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একটি শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ ইউনিয়ন গঠনে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।”
রাজনৈতিক জীবনে তিনি সলঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, হাটিকুমরুল ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাংগঠনিক সম্পাদক এবং হাটিকুমরুল ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।
এদিকে তাঁর সম্ভাব্য প্রার্থিতাকে ঘিরে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের মতে, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা এবং উন্নয়নমুখী পরিকল্পনার কারণে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে তিনি অন্যতম আলোচিত ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।

এইচএম মোকাদ্দেস,নির্বাহী সম্পাদক