গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়ন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাইফুল্লাহ বারীর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার বিকেলে বোনারপাড়া সরকারি কাজী আজহার আলী মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত জানাজায় ইমামতি করেন নিহতের বাবা ও উপজেলা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম হাবিবুর রহমান।
জানাজায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। পরে পারিবারিক কবরস্থানে সাইফুল্লাহ বারীকে দাফন করা হয়।
জানাজা শেষে বক্তব্যে গাইবান্ধা-৫ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ সাইফুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার দাবি করেন। তিনি বলেন, প্রকাশ্যে সংঘটিত এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা জেলা জামায়াতের আমির ও সংসদ সদস্য আব্দুল করিম, গাইবান্ধা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা নজরুল ইসলাম লেবু, ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগাসহ সংগঠনটির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।
জানাজায় অংশ নেওয়া স্থানীয়দের অনেকেই সাইফুল্লাহ বারীকে মানবিক ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় একজন তরুণ হিসেবে উল্লেখ করেন। তাকে শেষবারের মতো দেখতে এবং শ্রদ্ধা জানাতে জানাজাস্থলে মানুষের ব্যাপক সমাগম ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুরে বোনারপাড়া চৌমাথা এলাকায় একটি বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সংঘর্ষে সাইফুল্লাহ বারী ও সালাউদ্দিন ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে সাইফুল্লাহ বারীকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত সালাউদ্দিনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম জানান, এ ঘটনায় অভিযুক্ত আশরাফ নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ সংস্করণটি জাতীয় দৈনিকের সংবাদধর্মী ভাষা, নিরপেক্ষতা ও তথ্যগত ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সাজানো হয়েছে এবং অপ্রয়োজনীয় পুনরাবৃত্তি ও আবেগঘন বর্ণনা পরিহার করা হয়েছে।

মোঃ আল আমিন হোসেন,বার্তা সম্পাদক