রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধীদলের অংশগ্রহণ নিয়ে সরকারের মূল্যায়নের সমালোচনা জামায়াত নেতার

  • শাহিন রেজা,মাল্টিমিডিয়া ইনচার্জ
  • আপলোড সময় : ২১ আগস্ট ২০২৬, ১০:৪৯ দুপুর
  • ১২৪৫২ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com.monirulbd.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধীদলের অংশগ্রহণকে সরকার উদার ও গণতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গিতে না দেখে রাজনৈতিক সংকীর্ণতার সঙ্গে মূল্যায়ন করছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।

বৃহস্পতিবার দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, সরকারের একজন মন্ত্রিপরিষদ সদস্য দাবি করেছেন—৭০ অনুচ্ছেদ বহাল রেখে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় বিরোধীদলের সংবিধান সংস্কার পরিষদে নেওয়া শপথ আর কার্যকর নেই। তবে এই যুক্তি গ্রহণযোগ্য হলে সংসদ সদস্য হিসেবে নেওয়া শপথ কীভাবে বৈধ থাকে, সেই প্রশ্নও দেখা দেয়। কারণ, ২০২৬ সালে সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় কোনো সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধীদলের অংশগ্রহণ ছিল সরকারের কাঙ্ক্ষিত সংস্কার প্রক্রিয়ার সীমাবদ্ধতার বিরুদ্ধে একটি প্রতীকী প্রতিবাদ। একই সঙ্গে এটি ছিল গণতান্ত্রিক চর্চার একটি নতুন উদ্যোগ।

জামায়াতের এই নেতা বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফলাফল কী হবে, তা বিরোধীদল আগে থেকেই জানত। এরপরও জনগণের সামনে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করা এবং গণতন্ত্রের দাবি আরও জোরালো করতেই তারা নির্বাচনে অংশ নিয়েছে।

তার দাবি, বিরোধীদলের এ অবস্থানের মধ্য দিয়ে জনগণ নতুন করে উপলব্ধি করার সুযোগ পেয়েছে যে, বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে কার্যকর, জবাবদিহিমূলক ও টেকসই করতে সংবিধান সংস্কার কেন প্রয়োজন।

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের নির্বাচনে অংশগ্রহণকে সংকীর্ণভাবে ব্যাখ্যা না করে এর গণতান্ত্রিক বার্তা উপলব্ধি করতে হবে। জনগণের প্রত্যাশার প্রতি সম্মান দেখিয়ে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

তিনি আরও বলেন, জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে পাশ কাটিয়ে কোনো সরকারই দীর্ঘমেয়াদে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারে না।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad