বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ছয় মাসের বেশি সময় পার হয়েছে। এ সময়ে দেশে কেউ গুমের শিকার হননি, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকারও হননি। রাজনৈতিক নির্যাতনের ঘটনাও ঘটেনি বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়েছে। চর্চা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সবার সহযোগিতা চাই।’
ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কাউকে কোনো বিষয়ে বঞ্চিত করা হবে না উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, নাগরিক হিসেবে সবার সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করা হবে। এটিই সরকারের প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকার।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সবাই নাগরিক। এখানে কেউ সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু নন। সংবিধানও সবাইকে নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
গণঅভ্যুত্থানের পর বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করা হয়েছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এই বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করব।’
ঢাকেশ্বরী মন্দিরের জমি প্রসঙ্গেঢাকেশ্বরী মন্দিরের জমি আওয়ামী লীগ দখল করে রেখেছিল দাবি করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ১৯৯৬ সালে তিনি ভূমি মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য ছিলেন। সে সময় কমিটির সদস্যরা ঢাকেশ্বরী মন্দির এলাকা পরিদর্শন করেন।
তিনি বলেন, পরিদর্শনের সময় দেখা যায়, মন্দিরের প্রায় আড়াই একর সম্পত্তি সরকারের হাতে রয়েছে। বাকি সম্পত্তি আওয়ামী লীগের দখলে ছিল।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকারের হাতে থাকা আড়াই একর জমির অংশটি ছিল শ্মশান। শ্মশান না থাকলে ওই জমিও দখল হয়ে যেত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
জমি উদ্ধারের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দীর্ঘ সময়ে ওই সম্পত্তি ১০ থেকে ১২ বার হাতবদল হয়েছে। ফলে এখন কার কাছ থেকে জমি ফেরত নেওয়া হবে—এটি একটি বাস্তব জটিলতা।
তিনি বলেন, ‘এখন তা ফেরত কার কাছ থেকে নেওয়া হবে? দশ-বারো হাত বদল হয়ে গেছে। এটাই হচ্ছে বাস্তবতা।’

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক