শুক্রবার সকালে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিশ্চিত করা ছাড়া দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয় এবং সেই গণতন্ত্র কার্যকরও হবে না। কারণ, গণতন্ত্র কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের জন্য নয়; এটি সবার জন্য।
দেশে বিভিন্ন সময়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন-নিপীড়নের ঘটনা ঘটেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংখ্যায় কম কিংবা ধর্ম ও জাতিগতভাবে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী বিভিন্ন সময়ে নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এসব ঘটনায় রাষ্ট্র বা সরকার অনেক সময় নীরব থেকেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা অতীতে বিভিন্ন সময়ে দেখেছি, এ দেশে যারা সংখ্যায় কম, ধর্মের দিক থেকে কিংবা জাতির দিক থেকে কম, তাদের ওপর নানা ধরনের নির্যাতন-নিপীড়ন হয়েছে। সেখানে রাষ্ট্র বা সরকার চুপ ছিল।’
তিনি বলেন, অভ্যুত্থানের পর থেকেই দেশে বিচারব্যবস্থা শক্তিশালী করা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করা এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার কথা বলা হচ্ছে। এসব লক্ষ্য অর্জনে তাদের আন্দোলন এখনো অব্যাহত রয়েছে।
ধর্ম-বর্ণের বিভেদ ভুলে দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরিতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান এনসিপির আহ্বায়ক।
মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নুসরাত তাবাসসুমসহ দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রথম দর্পণ অনলাইন,ডেক্স