লংমার্চের পথে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর ব্রিজ এলাকা, কুমিল্লার পদুয়ার বাজার, ফেনীর মহিপাল ও চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে সভা অনুষ্ঠিত হবে। রাতে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে সমাপনী সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
লংমার্চ ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য। শুক্রবার সন্ধ্যায় শাপলা চত্বরে লংমার্চের সমাবেশস্থল পরিদর্শন করেন জামায়াতে ইসলামীর নেতারা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো. মোবারক হোসাইন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল এবং মহানগরীর দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিনসহ অন্য নেতারা।
শাপলা চত্বর থেকে কর্মসূচি শুরুর বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামের ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় এ স্থান থেকে লংমার্চ শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, “অসংখ্য আন্দোলন-সংগ্রামের সুতিকাগার ঐতিহাসিক শাপলা চত্বর থেকে লংমার্চের শুভ সূচনা হয়ে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে গিয়ে শেষ হবে।”
নুরুল ইসলাম বুলবুল আরও বলেন, ১১ দলীয় ঐক্যের ছয় দফা জনগণের অধিকার আদায়ের ঐতিহাসিক দাবি। শাপলা চত্বরে সমাবেশ শেষে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতাদের নেতৃত্বে চট্টগ্রামের উদ্দেশে লংমার্চ শুরু হবে।
১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা জানান, রাজধানীর শাপলা চত্বরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি জোটের বড় বড় আন্দোলন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এ ছাড়া হেফাজতে ইসলামের সমাবেশের কারণেও স্থানটি আলোচিত। সর্বোপরি লংমার্চের যাত্রার সুবিধা বিবেচনা করেও শাপলা চত্বরে জনসভা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রথম দর্পণ অনলাইন,ডেক্স