বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিমের নেতৃত্বে কারওয়ানবাজার, তেজগাঁও ট্রাক স্ট্যান্ড ও সাতরাস্তা এলাকায় এ প্রচার কার্যক্রম চালানো হয়। এ সময় ব্যবসায়ী, শ্রমিক, পথচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে লংমার্চের কর্মসূচি ও ছয় দফা দাবিসংবলিত প্রচারপত্র বিতরণ করেন নেতাকর্মীরা।
লংমার্চের ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ করা।
প্রচার কার্যক্রমে ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিদ্যুৎ ও গ্যাস সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী করা, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির মতো কয়েকটি অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচির কথা জানিয়েছিল। তবে এসব ক্ষেত্রে সরকার প্রত্যাশিত সাফল্য অর্জন করতে পারেনি।
তিনি বলেন, “এই লংমার্চ কোনো দলের লংমার্চ নয়। এটি দেশের মানুষের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে আয়োজিত কর্মসূচি। সেই লক্ষ্যেই আমরা জনগণের কাছে যাচ্ছি এবং প্রচারপত্র বিতরণ করছি।”
রেজাউল করিম আগামী শনিবার সকাল ৭টায় রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বর থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে ঘোষিত লংমার্চে সর্বস্তরের মানুষকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।
প্রচারপত্র বিতরণকালে জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তরের প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার, তেজগাঁও দক্ষিণের আমির ইঞ্জিনিয়ার নোমান আহমেদ, সেক্রেটারি ফরিদ আহমেদ রুবেল, শিল্পাঞ্চল থানা আমির কলিম উল্লাহ, নায়েবে আমির মোহাম্মদ উল্লাহ ভূঁইয়া হারুন, সেক্রেটারি নুর উদ্দিন জাহিদ, শ্রমিক নেতা কামাল উদ্দিন রায়হান, আব্দুল হক ও আলী আকবরসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক