ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সহাবস্থান নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৬ বিকাল
  • ২৬৮৭ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com.monirulbd.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যালঘু হিসেবে নয়, বাংলাদেশের সমান অধিকারভুক্ত নাগরিক হিসেবে নিজেদের পরিচয় দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, ধর্মীয় পরিচয় ব্যক্তিগত ও সাংস্কৃতিক বিষয়; জাতীয় পরিচয়ে সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। ধর্মীয় স্বাধীনতা, সহাবস্থান এবং সামাজিক শান্তি-সম্প্রীতি নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।

শুক্রবার ঢাকার শ্রীশ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ আয়োজিত শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে ঐতিহাসিক কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমী মিছিলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ছয় মাসে সরকার সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে। সংবিধানেও ধর্মের ভিত্তিতে বৈষম্য না করা এবং প্রত্যেক নাগরিকের ধর্ম পালনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। সরকার শুধু সংবিধানের বিধানেই সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তবেও এসব অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কেউ নিজেদের সংখ্যালঘু হিসেবে পরিচয় দেবেন না। নাগরিকত্বের দিক থেকে সবাই সমান অধিকারসম্পন্ন বাংলাদেশি। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কিংবা নৃগোষ্ঠী—প্রত্যেকে নিজ নিজ ধর্ম ও সংস্কৃতি স্বাধীনভাবে পালন করবেন; তবে জাতীয় পরিচয়ে সবাই বাংলাদেশের নাগরিক।

তিনি বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’—এই নীতিই সরকারের মূল অবস্থান। ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক বা নৃতাত্ত্বিক পরিচয়ের আগে দেশের নাগরিক হিসেবে পরিচয়ই প্রাধান্য পাবে। সবার জন্য সমান অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি’ শব্দটির পরিবর্তে ধর্মীয় সম্প্রীতি, সহাবস্থান এবং সামাজিক শান্তি ও সম্প্রীতির ওপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহাবস্থানের মাধ্যমে সমাজে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে মহানগর সার্বজনীন পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শ্রী গোপাল চন্দ্র দেবনাথ সভাপতিত্ব করেন। এতে প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃগোষ্ঠী বিষয়ক বিশেষ সহকারী শ্রী বিজন কান্তি সরকার এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালামসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
Sidebar Ad