শুক্রবার রাজধানীর রামপুরা, বাড্ডা, সেগুনবাগিচা ও শান্তিনগরসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।
ব্যবসায়ীরা জানান, প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে সরবরাহকারীদের কাছ থেকে সয়াবিন তেল পাওয়া যাচ্ছে না। অল্প পরিমাণে তেল সরবরাহ করা হলেও খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। গত বুধবার নতুন দাম ঘোষণার পরও সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। নতুন দামের তেল বাজারে না আসা পর্যন্ত স্বাভাবিকভাবে অর্ডার নেওয়া হচ্ছে না বলেও জানান কয়েকজন ব্যবসায়ী।
শান্তিনগর বাজারের খুচরা বিক্রেতা এনামুল হক বলেন, নতুন দাম ঘোষণার পরও তেলের সরবরাহ বাড়েনি। কোম্পানিগুলো নতুন দামের পণ্য বাজারে না আসা পর্যন্ত স্বাভাবিক অর্ডার নিচ্ছে না।
সেগুনবাগিচা আবাসিক এলাকার মুদি ব্যবসায়ী মো. তাহের বলেন, তেলের অর্ডার দিয়েও পণ্য পাওয়া যাচ্ছে না। পাশাপাশি প্রায় ২০০ টাকা দামের একটি বোতল সয়াবিন তেলে খুচরা বিক্রেতার কমিশন কমিয়ে দেড় টাকা করা হয়েছে।
বাজারে বর্তমানে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ২০৪ টাকা। এর আগে দাম ছিল ১৯৯ টাকা। তবে খোলা সয়াবিন ও পাম তেলের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। রাজধানীর বেশিরভাগ দোকানে এক লিটারের বোতলজাত তেল পাওয়া না গেলেও দুই ও পাঁচ লিটারের বোতল পাওয়া যাচ্ছে।
এদিকে ডিম ও মুরগির বাজারেও স্বস্তি নেই। প্রতি ডজন ব্রয়লার মুরগির ডিম আগের সপ্তাহের মতো ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগির দাম এলাকাভেদে কেজিতে ১৮৫ থেকে ১৯৫ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
তবে কিছু সবজির দাম কমেছে। ঝিঙা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ থেকে ৬০, পেঁপে ৩০, দেশি লাউ ৫০ থেকে ৭০, কচুর মুখি ৬০ থেকে ৭০ এবং করলা মানভেদে ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ছোট পটল ও ঢেঁড়সের দাম ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি।
কাঁচা মরিচের দাম কমে ৮০ থেকে ১২০ টাকা এবং শসা ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজিতে নেমেছে। তবে বরবটি, টমেটো, গাজর ও কাকরোলের দাম এখনো তুলনামূলক বেশি।
অন্যদিকে পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমেছে। আগে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক