এক বছরের মধ্যে আমূল বদলে যাবে পুঁজিবাজার: বিএসইসি চেয়ারম্যান

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫০ বিকাল
  • ১৬৯৩ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com.monirulbd.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের পুঁজিবাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খান। তিনি বলেছেন, বাজারকে আরও গভীর, সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও ন্যায্য করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। একই সঙ্গে আগামী ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যে ভালো ও বড় কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরামের (সিএমজেএফ) সদস্যদের জন্য আয়োজিত আবাসিক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বিএসইসি চেয়ারম্যান। অনুষ্ঠানে সিএমজেএফ সভাপতি মনির হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব রাসেল বক্তব্য দেন।

মাসুদ খান বলেন, আগামী এক বছরে পুঁজিবাজারের বর্তমান চিত্র অনেকটাই বদলে যাবে। বাজার আরও গভীর হবে এবং ভালো কোম্পানির সংখ্যা বাড়বে। এতে বাজারের বিদ্যমান দুর্বলতাগুলোও কমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, পুঁজিবাজারের উন্নয়নে স্বল্পমেয়াদি ওঠানামাকে গুরুত্ব না দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় এগোতে হবে। বাজারে উত্থান-পতন স্বাভাবিক। বিএসইসির লক্ষ্য একটি সুশৃঙ্খল, ন্যায্য ও স্বচ্ছ বাজার প্রতিষ্ঠা করা।

ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের সুফল

দায়িত্ব নেওয়ার দুই দিনের মধ্যেই ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল জানিয়ে বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, এর অন্যতম কারণ ছিল মরগান স্ট্যানলি ক্যাপিটাল ইনডেক্সে বাংলাদেশের অবস্থান। ফ্লোর প্রাইসের কারণে সূচকটি বাংলাদেশকে স্থগিত করেছিল বলে তিনি জানান।

তার ভাষ্য, ফ্লোর প্রাইসের মতো কৃত্রিম ব্যবস্থা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নিরুৎসাহিত করে। পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগামী মাস থেকে বাংলাদেশের জন্য মরগান স্ট্যানলি ক্যাপিটাল ইনডেক্স আবার চালু হতে পারে।

বেক্সিমকোর জিডিআর পুনরায় চালু

বেক্সিমকোর গ্লোবাল ডিপোজিটরি রিসিপ্ট (জিডিআর) পুনরায় চালুর বিষয়েও কথা বলেন মাসুদ খান। তিনি জানান, জরুরি ভিত্তিতে বিএসইসি বোর্ডের অনুমোদন নিয়ে লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে স্থগিত থাকা বেক্সিমকোর জিডিআর পুনরায় চালু করা সম্ভব হয়েছে।

এ সিদ্ধান্ত নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশি কোম্পানিগুলোর জিডিআর ইস্যুর ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হতে পারত বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ডিএসইকে আরও ক্ষমতা দেওয়া হবে

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান বিএসইসি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ডিএসই প্রাথমিক নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করে। তাই পরিদর্শন কার্যক্রম, সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণ এবং তালিকাভুক্ত কোম্পানি পরিদর্শনের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটিকে আরও ক্ষমতা দেওয়া হবে।

তালিকাভুক্তির বিধিমালা বাস্তবায়নের দায়িত্ব ডিএসইর। দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে বিএসইসি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে জানান তিনি।

একই সঙ্গে ডিএসই ও বিএসইসির বাজার নজরদারি ব্যবস্থা আধুনিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক নজরদারি ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে মানবীয় হস্তক্ষেপ কমানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।

প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগ

বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, দেশের পুঁজিবাজার এখনো মূলত খুচরা বিনিয়োগকারীনির্ভর। প্রায় ৯০ শতাংশ বিনিয়োগকারীই খুচরা বিনিয়োগকারী। বিপরীতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ খুবই কম।

প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ না বাড়ালে বাজারের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রভিডেন্ট ফান্ড ও গ্র্যাচুইটি ফান্ডের অর্থ বিনিয়োগের কাঠামো পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

প্রাতিষ্ঠানিক তহবিলের একটি অংশ শেয়ারবাজারে এবং অন্য অংশ করপোরেট বন্ডে বিনিয়োগের বিষয়ে কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।

ভালো কোম্পানি আনতে সরাসরি তালিকাভুক্তি

পুঁজিবাজারে ভালো কোম্পানির সংখ্যা দ্রুত বাড়ানো জরুরি বলে মন্তব্য করেন মাসুদ খান। তার মতে, বর্তমানে বাজারে হাতে গোনা কয়েকটি ভালো কোম্পানি রয়েছে। অনেক কোম্পানির আয় ওঠানামা করায় তাদের আর্থিক ঝুঁকিও তুলনামূলক বেশি।

ভালো কোম্পানিকে দ্রুত বাজারে আনতে সরাসরি তালিকাভুক্তির ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আইপিও প্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ হওয়ায় সরাসরি তালিকাভুক্তির বিধিমালা নতুন করে সাজানো হচ্ছে। পাশাপাশি আইপিও ব্যবস্থাতেও পরিবর্তন আনা হবে।

আইপিওতে ‘এক্সটেন্ডেড অডিট’

আইপিও প্রক্রিয়া দ্রুত করতে ‘এক্সটেন্ডেড অডিট’ চালুর পরিকল্পনার কথা জানান বিএসইসি চেয়ারম্যান।

তিনি বলেন, প্রচলিত স্ট্যাটুটরি অডিটে কোম্পানির আর্থিক বিবরণী সত্য ও ন্যায্যভাবে উপস্থাপিত হয়েছে কি না, তা যাচাই করা হয়। কিন্তু পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে কোম্পানির জমি, যন্ত্রপাতি, মজুত পণ্য, ক্রেডিট বিক্রির পাওনা ও সরবরাহকারীর তথ্যসহ বিভিন্ন বিষয় বাস্তবে রয়েছে কি না, সেটিও যাচাই করা প্রয়োজন।

এ জন্য আইপিও আবেদনকারী কোম্পানিকে বর্ধিত অডিটের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই ও প্রত্যয়ন হয়ে গেলে একই আর্থিক বিবরণী নিয়ে ডিএসইর বারবার প্রশ্ন করার প্রয়োজন হবে না। এতে আইপিও প্রক্রিয়া দ্রুত হবে বলে আশা করছে বিএসইসি।

বহুজাতিক কোম্পানির জন্য হাইব্রিড ব্যবস্থা

আগামী সপ্তাহে ‘হাইব্রিড সিস্টেম’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান মাসুদ খান। এ ব্যবস্থায় কোনো কোম্পানি একদিকে মূলধন সংগ্রহ করতে পারবে, অন্যদিকে সরাসরি তালিকাভুক্তও হতে পারবে।

বিশেষ করে বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে আনতে এই ব্যবস্থা কার্যকর হবে বলে মনে করছে বিএসইসি। বড় স্থানীয় ও বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে স্বপ্রণোদিতভাবে বাজারে আসতে উৎসাহিত করা হবে। প্রয়োজনে আইন প্রয়োগের সুযোগও রয়েছে বলে জানান তিনি।

‘পাবলিক ইন্টারেস্ট কোম্পানি’র সংজ্ঞা নির্ধারণ

সিকিউরিটিজ আইনের ২০-এ ধারার ক্ষমতা প্রয়োগ করে জনস্বার্থে কোনো কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া সম্ভব বলে জানান বিএসইসি চেয়ারম্যান। এ জন্য ‘পাবলিক ইন্টারেস্ট কোম্পানি’র একটি সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হবে।

তিনি আশা করেন, আগামী ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যে দেশের বড় ও ফ্ল্যাগশিপ কোম্পানিগুলোর উল্লেখযোগ্য একটি অংশ পুঁজিবাজারে আসবে।

তালিকাভুক্ত কোম্পানিকে কর সুবিধা

স্থানীয় কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে আনতে কর সুবিধা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে জানান তিনি। তালিকাভুক্ত কোম্পানির করহারে সুবিধা রয়েছে উল্লেখ করে মাসুদ খান বলেন, এ সুবিধা আরও বাড়ানোর বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

তালিকাভুক্ত ও তালিকাবহির্ভূত কোম্পানির করহারে আরও যৌক্তিক পার্থক্য তৈরি করা গেলে কোম্পানিগুলো বাজারে আসতে উৎসাহিত হবে বলে তিনি মনে করেন।

করপোরেট বন্ডে ৮০ শতাংশ ফি কমেছে

করপোরেট বন্ড মার্কেটকে গতিশীল করতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মূল বোর্ডে করপোরেট বন্ড তালিকাভুক্তির ফি ৮০ শতাংশ কমানো হয়েছে বলে জানান বিএসইসি চেয়ারম্যান।

তার আশা, আগামী তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে মূল বোর্ডে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক করপোরেট বন্ড লেনদেন শুরু হবে।

তিনি জানান, অনেক করপোরেট বন্ডে ‘এ’ ক্যাটাগরির ব্যাংকের ছয় মাসের এফডিআর হারের সঙ্গে প্রায় ৩ শতাংশ স্প্রেড রয়েছে। ফলে এসব বন্ডে প্রায় ১২ থেকে সাড়ে ১২ শতাংশ পর্যন্ত কুপন রেট পাওয়া যাচ্ছে।

ডেরিভেটিভ, ইটিএফ ও আরইআইটি চালুর পরিকল্পনা

পুঁজিবাজারে নতুন বিনিয়োগ পণ্য চালুর পরিকল্পনাও তুলে ধরেন বিএসইসি চেয়ারম্যান। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে ডেরিভেটিভ মার্কেট চালুর প্রক্রিয়া শিগগির শুরু হবে।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের কমোডিটি মার্কেটে গোল্ড, সিলভার ও ক্রুড পাম অয়েল নিয়ে কাজ চলছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ইনডেক্স ফিউচার চালুর জন্য আবেদন করেছে বলেও জানান তিনি।

এ ছাড়া এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড (ইটিএফ) ও রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টমেন্ট ট্রাস্ট (আরইআইটি) চালুর অনুমতি দেওয়া হলেও কার্যকর করার ক্ষেত্রে আরও পরিবর্তন আনার উদ্যোগ রয়েছে।

এক বছরের মধ্যে সিসিবিএল চালুর লক্ষ্য

ক্লিয়ারিং ব্যবস্থা আধুনিক করতে সেন্ট্রাল কাউন্টারপার্টি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিসিবিএল) চালুর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে বিএসইসি।

মাসুদ খান বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে সিসিবিএল চালুর লক্ষ্য রয়েছে। এ জন্য শেয়ারহোল্ডিং কাঠামো পরিবর্তনের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত উন্নয়ন করতে হবে।

বর্তমান প্রযুক্তিতে ডেরিভেটিভ লেনদেন পরিচালনায় সীমাবদ্ধতা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এজন্য নতুন প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থায় যেতে হবে।

ব্রোকারদের জন্য অভিন্ন সফটওয়্যার

ব্রোকারদের ব্যাক অফিস সফটওয়্যার ব্যবস্থায়ও পরিবর্তন আনা হচ্ছে। বর্তমানে বিভিন্ন ব্রোকার নিজস্ব সফটওয়্যার ব্যবহার করায় ঝুঁকি রয়েছে বলে মনে করছে বিএসইসি।

এ কারণে সব ব্রোকারের জন্য একটি অভিন্ন সফটওয়্যার চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এই সফটওয়্যারের সঙ্গে সিসিবিএলের এপিআই সংযোগ স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

নতুন আইপিও ও মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা

বিএসইসি চেয়ারম্যান জানান, মার্জিন বিধিমালা ইতোমধ্যে করা হয়েছে। ক্যাপিটাল ইস্যু-সংক্রান্ত বিধিমালার পর আইপিও বিধিমালায় পরিবর্তন আনা হবে। আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে নতুন আইপিও বিধিমালা আনার লক্ষ্য রয়েছে। এরপর মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালাতেও পরিবর্তন আনা হবে।

তিনি বলেন, একটি বিধিমালা পরিবর্তনে সাধারণত দীর্ঘ সময় লাগে। তবে বিএসইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দ্রুত কাজ করছেন।

বহুজাতিক কোম্পানির লভ্যাংশ পরিশোধ সহজ হবে

বহুজাতিক কোম্পানির লভ্যাংশ বিদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়াও সহজ করা হচ্ছে বলে জানান বিএসইসি চেয়ারম্যান।

দ্বৈত কর পরিহারসংক্রান্ত ছাড়পত্র না পাওয়ায় অনেক বহুজাতিক কোম্পানি লভ্যাংশের অর্থ বিদেশে পাঠাতে পারছিল না। এখন এ সমস্যা সমাধানে অনুমোদনের জন্য বারবার বিএসইসির কাছে আসতে হবে না।

লভ্যাংশের পুরো অর্থ পাওয়ার পর এক মাসের মধ্যে অর্থ পরিশোধের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

‘জেড’ ক্যাটাগরির শেয়ার হস্তান্তরে সহজ প্রক্রিয়া

‘জেড’ ক্যাটাগরির শেয়ারের স্পন্সরদের শেয়ার হস্তান্তরের অনুমোদন প্রক্রিয়াও সহজ করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে বিএসইসির পরিবর্তে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে দায়িত্ব দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আর্থিক শিক্ষায় গুরুত্ব

ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের আর্থিক শিক্ষার ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছে বিএসইসি। আগামী এক বছরে আর্থিক সাক্ষরতা কার্যক্রম কয়েক গুণ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

মাস এডুকেশন, প্রশিক্ষণ ও সার্টিফিকেশন কার্যক্রম জোরদারের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে বলে জানান বিএসইসি চেয়ারম্যান।

সূচকের ওঠানামা নিয়ন্ত্রণ বিএসইসির কাজ নয়

পুঁজিবাজারের দৈনন্দিন সূচকের ওঠানামা নিয়ে সমালোচনার বিষয়ে মাসুদ খান বলেন, সূচক বাড়ানো বা কমানো তার কাজ নয়। দীর্ঘমেয়াদে একটি সুশৃঙ্খল, ন্যায্য ও স্বচ্ছ বাজার গড়ে তোলাই বিএসইসির লক্ষ্য।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন সমালোচনা ও গালিগালাজের কথাও উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব কারণে কাজ থামানো হয়নি। স্বল্পমেয়াদি চিন্তা বাদ দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নিয়েই এগোতে হবে।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, পুঁজিবাজার উন্নয়নে গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার গঠনমূলক সমালোচনার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সাংবাদিকরা বিএসইসির ‘সাথী’। তাদের সহযোগিতা ছাড়া শক্তিশালী ও প্রাণবন্ত পুঁজিবাজার গড়ে তোলা সম্ভব নয়।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
Sidebar Ad