স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক বছর আগেও গারো পাহাড়ের এসব এলাকায় বন্যহাতির অবাধ বিচরণ ছিল। প্রায়ই হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত হতো ফসলের জমি। এমন পরিস্থিতিতে কৃষি বিভাগের পরামর্শে ২০২২ সালে সন্ধ্যাকূড়া গ্রামে মোহাম্মদ আলী নামে এক কৃষক বাণিজ্যিকভাবে বিভিন্ন রঙের গোলাপ চাষ শুরু করেন।
গোলাপের গাছ কাঁটাযুক্ত হওয়ায় বাগান স্থাপনের পর ওই এলাকার আশপাশে বন্যহাতির বিচরণ কমে আসে বলে স্থানীয়রা জানান। পাশাপাশি গোলাপ চাষে সাফল্য পাওয়ায় পরে স্থানীয় উদ্যোক্তারা নতুন করে আরও ১২টি বাগান গড়ে তোলেন। এসব বাগানের উৎপাদিত নানা রঙের গোলাপ ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হচ্ছে।
গোলাপের বাগান দেখতে প্রতিদিনই সেখানে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ছে। একই সঙ্গে স্থানীয় অনেক কৃষক নিজেদের পতিত জমিতে লাভজনক এই ফুল চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।
কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, গোলাপ চাষ সম্প্রসারণে কৃষকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি নিয়মিত মাঠ পরিদর্শনের মাধ্যমে চাষাবাদসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে কৃষকদের পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক