মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
সাক্ষাতে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আধুনিকায়ন, এয়ারবাস ক্রয়সহ দেশের এভিয়েশন খাতের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে উড়োজাহাজের স্বল্পতা রয়েছে। এ কারণে জরুরি ভিত্তিতে নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এয়ারবাস ক্রয়সহ যেকোনো ক্রয় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে। হাই লেভেল নেগোশিয়েশন কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তিনি জানান, ২০১৭ সালে বাংলাদেশের ওপর HRCM স্ট্যাটাস আরোপ করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এর ফলে কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে সময় ও ব্যয়—দুটিই বেড়েছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই এ স্ট্যাটাস প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী বিমানবন্দরে Explosive Detection System (EDS) স্থাপনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত অডিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সন্তোষজনক রেটিং অর্জন করেছে। এ অবস্থায় বাংলাদেশের ওপর থেকে HRCM স্ট্যাটাস প্রত্যাহারে ইউরোপীয় ইউনিয়নকে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, বাংলাদেশের হসপিটালিটি খাতের বিকাশে যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ রয়েছে। বাংলাদেশকে এভিয়েশন হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠার উদ্যোগেও যুক্তরাজ্য সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।
সাক্ষাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কার্যক্রমে Menzies Aviation-এর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক