নতুন এ মূল্য ও কমিশন কাঠামো ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।
সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কৃষি উৎপাদনে সারের সরবরাহ ও বাজার ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি ডিলার পর্যায়ে বিতরণ কার্যক্রমে উৎসাহ বাড়াতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ডিলার পর্যায়ে কমেছে দামসরকারের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইউরিয়া সারের ডিলার পর্যায়ের দাম প্রতি কেজি ২৫ টাকা থেকে কমিয়ে ২৪ টাকা করা হয়েছে। তবে কৃষক পর্যায়ে এর বিক্রয়মূল্য আগের মতোই ২৭ টাকা রাখা হয়েছে।
ডিএপি সারের ডিলার পর্যায়ের দাম ১৯ টাকা থেকে কমিয়ে ১৮ টাকা করা হলেও কৃষক পর্যায়ে বিক্রয়মূল্য ২১ টাকা অপরিবর্তিত রয়েছে। টিএসপি সারের ডিলার পর্যায়ের দামও প্রতি কেজি ২৫ টাকা থেকে কমিয়ে ২৪ টাকা করা হয়েছে। এ সারের কৃষক পর্যায়ের দাম আগের মতো ২৭ টাকা।
অন্যদিকে, এমওপি সারের ডিলার পর্যায়ের দাম প্রতি কেজি ১৮ টাকা থেকে কমিয়ে ১৭ টাকা করা হয়েছে। কৃষক পর্যায়ে এ সারের বিক্রয়মূল্য ২০ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
কৃষকের বাড়তি খরচ হবে নাপ্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, চার ধরনের সারের ক্ষেত্রেই ডিলার পর্যায়ে সরকারের নির্ধারিত দাম প্রতি কেজিতে ১ টাকা করে কমেছে। বিপরীতে কৃষক পর্যায়ের বিক্রয়মূল্য অপরিবর্তিত থাকায় ডিলার পর্যায়ে প্রতি কেজি সারে কমিশন দাঁড়িয়েছে ৩ টাকা।
ফলে সরকারের নতুন সিদ্ধান্তের কারণে কৃষকদের সারের জন্য অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হবে না। বিদ্যমান মূল্যেই তারা ইউরিয়া, ডিএপি, টিএসপি ও এমওপি সার কিনতে পারবেন।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক