ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট তথ্য সংগ্রহ শুরু, প্রশিক্ষণ পাবেন ৭৩ হাজারের বেশি কর্মী

  • এইচএম মোকাদ্দেস,নির্বাহী সম্পাদক
  • আপলোড সময় : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩০ দুপুর
  • ৫৯৫৫ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com.monirulbd.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি নিতে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা, সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সমাজসেবা অধিদপ্তর। প্রথম পর্যায়ে দেশের ২০৮টি উপজেলার ২০৮টি ওয়ার্ডে ৫ হাজার ট্যাবের মাধ্যমে পাইলটিং হিসেবে তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের সামাজিক নিরাপত্তা অধিশাখা থেকে গত ২২ সেপ্টেম্বর এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এতে বিভাগীয় পরিচালক, জেলা উপপরিচালক, সহকারী পরিচালক, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।

প্রশিক্ষণের আয়োজন

নির্দেশনা অনুযায়ী, সদর দপ্তরের মাস্টার ট্রেইনারদের তাত্ত্বিক প্রশিক্ষণ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। ট্যাব, ড্রেস, সিম সংযোগ ও অ্যাপ ইনস্টলেশনসহ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষে তাদের এক দিনের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

এ ছাড়া সদর দপ্তরের ২০ জন অভিজ্ঞ প্রশিক্ষক দেশের ৩০ থেকে ৪০টি নির্ধারিত ভেন্যুতে প্রায় ১০০ জন মাস্টার ট্রেইনারকে দুই দিনের প্রশিক্ষণ দেবেন। বিভাগীয় পরিচালকদের ব্যবস্থাপনায় এসব প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হবে।

পরবর্তী সময়ে মাস্টার ট্রেইনাররা নিজ নিজ উপজেলায় পাঁচ থেকে ছয় দিনের মধ্যে প্রথমে সুপারভাইজারদের দুই দিনের এবং পরে তথ্য সংগ্রহকারীদের দুই দিনের প্রশিক্ষণ দেবেন।

মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহে যাওয়ার আগে প্রত্যেক তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারকে অনলাইন মূল্যায়ন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে।

সমাজসেবা কর্মকর্তার সংকট থাকলে স্থানীয় অন্যান্য দপ্তরের প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাদেরও মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে। এ ক্ষেত্রে শিক্ষা, আইসিটি ও কৃষি কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্তির সুযোগ রাখা হয়েছে।

৬৬ হাজার ৯১৫ তথ্য সংগ্রহকারী

ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহের জন্য ৬৬ হাজার ৯১৫ জন তথ্য সংগ্রহকারী এবং ৬ হাজার ৮১৮ জন সুপারভাইজারের প্রোফাইল আইডি দ্রুত যাচাই ও অনুমোদনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন কর্মকর্তাদের নিজ নিজ আইডি থেকে এ অনুমোদন সম্পন্ন করতে হবে।

কোনো নির্বাচিত প্রার্থী কাজ করতে অনীহা প্রকাশ করলে তার কাছ থেকে লিখিত আবেদন নিতে হবে। অনীহা প্রকাশকারী, অনুপস্থিত বা বৈধ কারণে নিষ্ক্রিয় ব্যক্তিদের উপজেলা বাস্তবায়ন/নিয়োগ কমিটির সিদ্ধান্ত ও রেজুলেশনের মাধ্যমে বাদ দিয়ে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

যেভাবে শুরু হবে তথ্য সংগ্রহ

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট উপজেলার নির্বাচিত ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে তথ্য সংগ্রহ শুরু করতে হবে। কোন ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে কাজ শুরু হবে, তা সংশ্লিষ্ট জেলা উপপরিচালক স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সঙ্গে সভামতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত করবেন।

সিটি করপোরেশন এলাকায় স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে যেকোনো একটি ওয়ার্ড নির্ধারণ করতে হবে।

তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের জন্য নতুন কোনো পৃথক কমিটি গঠনের প্রয়োজন নেই। সরকারি গেজেটে প্রকাশিত বাস্তবায়ন নীতিমালার আওতাভুক্ত কমিটিই এ কার্যক্রম পরিচালনা করবে। নির্দেশিকায় বর্ণিত সুপারিশ নিয়োগ কমিটিও বহাল থাকবে।

পার্বত্য জেলাগুলোর ক্ষেত্রে গেজেটে নির্ধারিত বাস্তবায়ন ও সমন্বয় কমিটি ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহসহ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম তদারকি করবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের ২২ সেপ্টেম্বরের নির্দেশনা।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad