তামান্নার দাবি, তাঁকে ‘পলিটিক্যাল ট্যাগ’ দিয়ে নিয়োগ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে তিনি বা তাঁর পরিবারের কেউ কোনো সময় রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না বলে দাবি করেছেন।
গত ২৪ সেপ্টেম্বর তাঁর নামে নিয়োগপত্র ইস্যু না হওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন তামান্না। এরপর নিজের ফেসবুক আইডিতে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে একটি পোস্ট দেন তিনি।
পোস্টে তামান্না লেখেন, ‘জন্মই আমার আজন্ম পাপ! আমি এ রাষ্ট্রযন্ত্রকে ধিক্কার জানাই! এ যেন কষ্ট করে পাওয়া চাকরিটা ছিনিয়ে নেওয়া, এ যেন মায়ের কোল থেকে একটা সন্তানকে ছিনতাই করা!’
নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতার বিবরণ দিয়ে তিনি জানান, হবিগঞ্জের বৃন্দাবন সরকারি কলেজের ইংরেজি বিভাগ থেকে অনার্সে ফার্স্ট ক্লাস অর্জন করেছেন। একই সঙ্গে বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছেন। পরে নারায়ণগঞ্জের সরকারি তোলারাম কলেজ থেকে মাস্টার্সে ফার্স্ট ক্লাস এবং বিভাগে প্রথম হন।
তামান্নার ভাষ্য, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর লিখিত ও মৌখিক—দুই পরীক্ষাতেই তিনি সফলভাবে উত্তীর্ণ হন। মতলব দক্ষিণ উপজেলার মেধাতালিকায় প্রথম এবং চাঁদপুর জেলার মেধাতালিকায় ১১তম স্থান অর্জন করেন। সব ধাপ সম্পন্ন করে নিয়োগের জন্য দীর্ঘ আট মাস অপেক্ষা করেন তিনি।
তবে পুলিশ ও এনএসআইয়ের ভেরিফিকেশনে বাদ পড়ার কারণে শেষ পর্যন্ত নিয়োগপত্র পাননি। এ বিষয়ে তামান্নার অভিযোগ, কোনো ধরনের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা না থাকা সত্ত্বেও তাঁকে রাজনৈতিক পরিচয়ের তকমা দিয়ে বাদ দেওয়া হয়েছে।
ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘যে দেশে মেধার মূল্যায়ন হয় না, আমি সে দেশকে তার মেধাবীদেরসহ ধ্বংস কামনা করি।’
তথ্যসূত্র: যুগান্তর, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক