১৯৪৫ সালের ১ নভেম্বর জন্ম নেওয়া আখতার হুসেন দেশের সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সঙ্গে দীর্ঘদিন সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর অন্যতম প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য এবং শিশুসংগঠন খেলাঘরের সংগঠক ছিলেন।
ছড়া, গল্প, কবিতা, নাটক ও গান—সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় তাঁর বিচরণ ছিল। বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের সাংস্কৃতিক চর্চায় তাঁর সাহিত্যকর্ম ও সাংগঠনিক ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। তাঁর রচিত ‘আমরা তো সৈনিক, শান্তির সৈনিক’ গানটি ছাত্র ইউনিয়ন ও খেলাঘরের পরিচিত সংগীত হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক আন্দোলনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন আখতার হুসেন। উদীচী ও খেলাঘরের সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি দেশের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন।
আখতার হুসেন স্ত্রী মল্লিকা হুসেন, দুই ছেলে পান্থ হুসেন ও প্রমিত হুসেনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর স্ত্রী মল্লিকা হুসেন আগেই মারা গেছেন।
ছোট ছেলে প্রমিত হুসেন জানান, বাবার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী সিরাজগঞ্জের রহমতগঞ্জে পারিবারিক কবরস্থানে মায়ের পাশে তাঁকে দাফন করা হবে।
তিনি জানান, বৃহস্পতিবার তেজকুনীপাড়ায় তাঁদের বাসভবনের কাছে রেলওয়ে কলোনি মসজিদে আখতার হুসেনের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তাঁর মরদেহ রাখা হবে। সেখানে সর্বস্তরের মানুষ তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। পরে মরদেহ সিরাজগঞ্জে নিয়ে যাওয়া হবে।
তথ্যসূত্র: সমকাল, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক