তিনি বলেন, সরকার ইতোমধ্যে তিন দফায় জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে। কোনো গণশুনানি ছাড়াই রাতের আঁধারে কেন, কার স্বার্থে এবং কাকে খুশি করতে তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে—একদিন জনগণের কাছে এর জবাবদিহি করতে হবে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জ্বালানি তেলের ‘অযৌক্তিক’ মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন আয়োজিত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
‘সাত মাসের শিশু সরকার’ বলে সময় চাওয়ার সুযোগ নেইআতিকুর রহমান বলেন, সরকার নিজেদের ‘সাত মাসের শিশু সরকার’ বলে জনগণের কাছে বারবার সময় চাইতে পারে না। জনগণ সাত মাসের শিশুর হাতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেয়নি। রাষ্ট্র পরিচালনায় দক্ষতা ও যোগ্যতার পরিচয় দিতে না পারলে জনগণ এর জবাব চাইবে।
তিনি অভিযোগ করেন, গত সাত মাসে বর্তমান সরকার রাষ্ট্র পরিচালনায় যে অদক্ষতার পরিচয় দিয়েছে, তাতে জনগণ হতাশ। দুই হাজার টাকার ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে জনগণের পকেট থেকে আরও বেশি অর্থ নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
‘প্রয়োজনে আবারও রাজপথে আন্দোলন’আতিকুর রহমান বলেন, ২০২৪ সালের পরের নতুন বাংলাদেশে কোনো ফ্যাসিবাদী আচরণ চলবে না। শ্রমিকরা যেভাবে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রাজপথে নেমেছিলেন, প্রয়োজনে জনগণের স্বার্থে আবারও রাজপথে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। জনগণের স্বার্থে তারা আপস করবেন না বলেও জানান তিনি।
সমাবেশে শ্রমিক নেতারাবাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি কবির আহমদের সভাপতিত্বে এবং কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সেলিম পাটওয়ারীর সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন ফেডারেশনের সহসভাপতি এইচ এম আতিকুর রহমান, সহসাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাসার, সাংগঠনিক সম্পাদক জুবায়ের আল মাহমুদ, কোষাধ্যক্ষ নুরুল হক, অফিস সম্পাদক সুলতান মাহমুদ এবং প্রচার সম্পাদক নয়ন ইসলাম সরকার।
এ ছাড়া নরসিংদী জেলা সভাপতি জামাল উদ্দিন, নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সভাপতি মিজানুর রহমান, গাবতলী বাস টার্মিনালের সভাপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নেন।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক