নিহত নাজমুল হক বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি নগরীর কাশীপুর এলাকার এনামুল হকের ছেলে।
তবে কীভাবে বা কী কারণে তিনি ভবন থেকে নিচে পড়ে গেলেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাটি দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে ঘটেছে—তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
বিকট শব্দ শুনে ছুটে আসেন লোকজনপ্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল ৪টার দিকে বিকট শব্দ শুনে লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে যান। সেখানে নাজমুলকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। তার নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। পরে বিষয়টি কোতোয়ালি থানা-পুলিশকে জানানো হয়।
তবে তিনি নিজে ভবন থেকে লাফ দিয়েছেন, নাকি দুর্ঘটনাবশত পড়ে গেছেন—এ বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শীরা নিশ্চিত কোনো তথ্য দিতে পারেননি।
এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নাজমুল হকের বিরুদ্ধে তার দ্বিতীয় স্ত্রীর করা একটি মামলা রয়েছে। তবে ওই মামলার সঙ্গে তার মৃত্যুর কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
মরদেহ মর্গেবরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি বলেন, মৃত্যুর কারণ এখনো জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
তথ্যসূত্র: বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানা-পুলিশ, প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক