জিম্বাবুয়ে গতকাল আফগানিস্তানকে ১৫৮ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে আফগানিস্তান। এক ম্যাচে এক জয়ে আফগানদের নেট রানরেট এখন +৩.১৬০। দুই ম্যাচে এক জয় ও এক হারে জিম্বাবুয়ের রানরেট -০.৫৯০। অন্যদিকে এক ম্যাচ খেলে জয়হীন বাংলাদেশ -১.৯৮০ রানরেট নিয়ে তালিকার তলানিতে রয়েছে।
প্রথমে ব্যাট করলে ৪১ রানের জয় প্রয়োজনবাংলাদেশের সামনে সমীকরণ বেশ কঠিন। প্রথমে ব্যাটিং করলে আফগানিস্তানের বিপক্ষে যেকোনো লক্ষ্য নির্ধারণের পর বাংলাদেশকে অন্তত ৪১ রানের ব্যবধানে জিততে হবে। তাহলেই নেট রানরেটে জিম্বাবুয়েকে ছাড়িয়ে ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা তৈরি হবে।
অন্যদিকে, পরে ব্যাটিং করলে রান তাড়ার গতি হতে হবে অনেক বেশি। আফগানিস্তান ৩০১ রানের লক্ষ্য দিলে বাংলাদেশকে ৪২.২ ওভারের মধ্যে জিততে হবে। ২৫১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে হলে জয় নিশ্চিত করতে হবে ৪১.৩ ওভারের মধ্যে। আর আফগানিস্তান ১০১ রানের লক্ষ্য দিলে তা ৩৭.২ ওভারের মধ্যে পেরোতে হবে।
অর্থাৎ, শুধু জয় নয়—কত রানে এবং কত দ্রুত জয় আসছে, সেটিই বাংলাদেশের ফাইনালে ওঠার ভাগ্য নির্ধারণ করবে।
ব্যর্থ হলে বিদায়, সুবিধাজনক অবস্থানে আফগানিস্তাননির্ধারিত রান ও ওভারের সমীকরণ মেলাতে না পারলে নেট রানরেটে এগিয়ে থেকে ফাইনালে চলে যাবে জিম্বাবুয়ে। সে ক্ষেত্রে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হবে বাংলাদেশকে।
অন্যদিকে, নেট রানরেটে বড় ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় আফগানিস্তান রয়েছে সুবিধাজনক অবস্থানে। হারলেও ফাইনালে ওঠার ক্ষেত্রে তাদের সম্ভাবনা তুলনামূলক ভালো।
সব মিলিয়ে, শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের সামনে চ্যালেঞ্জ দুটি—আফগানিস্তানকে হারানো এবং নেট রানরেটের কঠিন হিসাব মেলানো। সামান্য ব্যবধানে জয় পেলেই যে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। তাই ফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখতে বড় জয়ই এখন বাংলাদেশের প্রধান সমীকরণ।

প্রথম দর্পণ,স্পোর্টস ডেক্স