শনিবার রাতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে মেসির নৈপুণ্যে জয় পায় ইন্টার মায়ামি। দলের হয়ে প্রথমার্ধের একেবারে শেষ মুহূর্তে গোল করেন জার্মান বারটেরাম। সেই গোলের পেছনে অবদান ছিল মেসির। বিরতির পর দ্বিতীয়ার্ধে মাত্র চার মিনিটের ব্যবধানে দুটি গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
চার মিনিটে মেসির জোড়া গোলম্যাচের ৫৬ মিনিটে ডান প্রান্ত দিয়ে বল নিয়ে প্রতিপক্ষের পেনাল্টি বক্সে ঢুকে পড়েন মেসি। এরপর আটলান্টার এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বাঁ পায়ের নিচু শটে জালে বল পাঠান তিনি।
এর চার মিনিট পর, ৬০ মিনিটে আবারও গোল করেন মেসি। এবার লুইস সুয়ারেজের পাস থেকে বল পেয়ে আক্রমণে এগিয়ে যান তিনি। সামনে আটলান্টার ডিফেন্ডার বাধা হয়ে দাঁড়ালেও তাঁকে থামানো যায়নি। শেষ পর্যন্ত গোলরক্ষক লুকাস হোয়োসকে পরাস্ত করে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন মেসি।
পরে আটলান্টা ইউনাইটেডের হয়ে একটি গোল করেন ফাফা পিকল্ট। তবে তাতে ম্যাচের ফল পাল্টায়নি। ৩-১ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ইন্টার মায়ামি।
মেসির পারফরম্যান্সে মুগ্ধ কোচম্যাচ শেষে মেসির প্রশংসা করে ইন্টার মায়ামির কোচ ক্রিশ্চিয়ান গঞ্জালেজ বলেন, মেসি প্রতিবারই গোটা বিশ্বকে অবাক করে দিতে পারেন। ৩৯ বছর বয়সে এসে একজন ফুটবলার এভাবে খেলছেন—নিজের চোখে না দেখলে তা বিশ্বাস করা কঠিন।
আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নেওয়ার পরও ক্লাব ফুটবলে মেসির এমন ধারাবাহিক পারফরম্যান্স তাঁর সক্ষমতারই পরিচয় দিচ্ছে। আটলান্টার বিপক্ষে জোড়া গোলের পাশাপাশি সতীর্থের গোলেও অবদান রেখেছেন তিনি।
দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য সাফল্য অর্জন করা মেসি বয়সের ভারে নুয়ে পড়েননি; বরং ক্লাবের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে গোল করে এখনো দলের জয়ে বড় ভূমিকা রাখছেন। আটলান্টার বিপক্ষে তাঁর এই পারফরম্যান্স আবারও প্রমাণ করেছে, ফুটবল মাঠে মেসির জাদু এখনো অটুট।

প্রথম দর্পণ,স্পোর্টস ডেক্স