শনিবার (২৪ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন দিলারা চৌধুরী।
শেখ হাসিনার যোগাযোগের দাবি১৯৯১ সালের রাজনৈতিক পরিস্থিতির স্মৃতিচারণ করে দিলারা চৌধুরী বলেন, সে সময় জামায়াতের সমর্থন ছাড়া বিএনপির রাজনীতি শেষ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ওই সময় শেখ হাসিনাও জামায়াতের সমর্থন পাওয়ার জন্য যোগাযোগ করেছিলেন।
তিনি দাবি করেন, জামায়াতের সমর্থন নিশ্চিত করার বিষয়ে শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে তাঁর স্বামীর কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। নাগরিকত্বসংক্রান্ত জটিলতার বিষয়টি সামনে এলে তা সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
দিলারা চৌধুরীর বক্তব্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনা চেয়েছিলেন ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদে কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাক, অর্থাৎ সংসদটি ‘ঝুলন্ত সংসদ’ হোক।
রাজনৈতিক দূরত্ব নিয়ে প্রশ্নবর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে জামায়াতকে ঘিরে বিভিন্ন দলের মধ্যে তৈরি হওয়া দূরত্বের সমালোচনা করেন এই রাষ্ট্রবিজ্ঞানী। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কী কারণে এখন জামায়াতের সঙ্গে আলোচনায় বসার বিষয়ে অনীহা তৈরি হয়েছে এবং এর পেছনে কারও নির্দেশনা রয়েছে কি না।
দেশে কৃত্রিম বিভেদ ও অনৈক্য তৈরি করে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা চলছে কি না, তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।
তবে ১৯৯১ সালের নির্বাচন-পরবর্তী ঘটনাবলি এবং শেখ হাসিনার সঙ্গে জামায়াতের সমর্থন নিয়ে কথিত যোগাযোগের বিষয়ে দিলারা চৌধুরীর বক্তব্যের স্বাধীন সমর্থন বা সংশ্লিষ্ট অন্য পক্ষের প্রতিক্রিয়া সরবরাহকৃত প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।

প্রথম দর্পণ,জাতীয় ডেস্ক