তিনি ভারত সরকারকে দেশটির সংখ্যালঘু মুসলমানদের মৌলিক অধিকার সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশের জনগণকে কোনো উসকানিতে ধর্মীয় বিভাজন ও সামাজিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে না দেওয়ার অনুরোধ করেছেন।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন বলে জানিয়েছে আমার দেশ অনলাইন।
দুই দিনে ১১০০-এর বেশি পরিবার উচ্ছেদের দাবিবিবৃতিতে শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন, গত ১৮ অক্টোবর আসামের নগাঁও জেলার লুতুমারি-লংজাপ সংরক্ষিত বনাঞ্চলে ৬০০টিরও বেশি মুসলিম পরিবারের বসতবাড়ি উচ্ছেদ করা হয়েছে। এর আগের দিন রাজ্যের তিনটি জেলায় আরও ৫৪৭টি পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয় বলে তিনি দাবি করেন।
তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, দুই দিনের এসব অভিযানে এক হাজার ১০০টিরও বেশি পরিবার গৃহহীন হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে তিনি আরও দাবি করেন, অভিযানে অন্তত ১০টি মসজিদ ভেঙে ফেলা হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি মসজিদের বয়স ৫০ বছরের বেশি।
মসজিদ ও কবরস্থান ভাঙার ঘটনাও উল্লেখবিবৃতিতে ভারতের গুজরাট রাজ্যের আহমেদাবাদে ৪০০ বছরের পুরোনো মাঞ্চা মসজিদ এবং গির সোমনাথ জেলায় প্রাচীন মসজিদ ও কবরস্থান ভেঙে ফেলার ঘটনার কথাও উল্লেখ করেন জামায়াতের আমির।
তিনি বলেন, সংখ্যালঘু মুসলমানদের অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার এসব ঘটনায় তাঁরা উদ্বিগ্ন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এ ধরনের কর্মকাণ্ড মানবতা, আইনের শাসন ও সভ্য সমাজের মূল্যবোধের পরিপন্থী। যে দেশেই বা যে পক্ষের দ্বারাই এ ধরনের ঘটনা ঘটুক, তা নিন্দনীয়।
বাংলাদেশে সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বানবাংলাদেশের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, কোনো উসকানিতে দেশের অভ্যন্তরে ধর্মীয় বিভাজন ও সামাজিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে দেওয়া যাবে না। কারও পাতা ফাঁদে পা না দিয়ে বিদ্যমান সামাজিক সম্প্রীতি অক্ষুণ্ন রাখতে হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক