বিতর্কের কেন্দ্রে বেলিংহাম, মুখ ঢেকে কথা বললেও লাল কার্ড নয়

  • প্রথম দর্পণ,স্পোর্টস ডেক্স
  • আপলোড সময় : ২৪ জুন ২০২৬, ০২:০৯ দুপুর
  • ১৮০২৬ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com.monirulbd.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg

ইংল্যান্ড ও ঘানার মধ্যকার বিশ্বকাপের ‘এল’ গ্রুপের ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হলেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন ইংলিশ মিডফিল্ডার জুড বেলিংহাম। মাঠে মুখ ঢেকে কথা বলার একটি ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ফুটবল অঙ্গনে প্রশ্ন ওঠে—ফিফার নতুন নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও কেন লাল কার্ড দেখানো হয়নি তাকে?

মঙ্গলবার বোস্টনে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষে মাঠ ছাড়ার সময় ঘানার ডাগআউটের কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে বেলিংহামের উত্তপ্ত বাকবিনিময় হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সতীর্থ মর্গান রজার্সকে এগিয়ে এসে তাকে সরিয়ে নিতে দেখা যায়। পরে ঘানার প্রধান কোচ কার্লোস কুইরোজের সঙ্গেও কিছুক্ষণ কথোপকথনে জড়ান ইংল্যান্ডের এই তারকা ফুটবলার।

তবে সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয় ঘানার ফরোয়ার্ড জর্ডান আইউর সঙ্গে তার একটি সংলাপ। ওই সময় বেলিংহামকে হাত দিয়ে মুখ আড়াল করে কথা বলতে দেখা যায়। চলমান বিশ্বকাপে ফিফা মুখ ঢেকে কথোপকথনের বিষয়ে নতুন নির্দেশনা কার্যকর করায় বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়।

ফিফার নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনো খেলোয়াড় যদি উত্তেজনাপূর্ণ বা বিরোধপূর্ণ পরিস্থিতিতে মুখ ঢেকে কথা বলেন, তাহলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে এবং রেফারি প্রয়োজনবোধে সরাসরি লাল কার্ড প্রদর্শন করতে পারেন। এই নিয়মে ইতোমধ্যে প্যারাগুয়ের মিডফিল্ডার মিগুয়েল আলমিরন তুরস্কের বিপক্ষে ম্যাচে লাল কার্ড দেখেছেন।

তবে ম্যাচ কর্মকর্তাদের মূল্যায়নে বেলিংহাম ও আইউর মধ্যকার কথোপকথনটি বিরোধপূর্ণ বা আক্রমণাত্মক ছিল না। ফলে ঘটনাটি শাস্তিযোগ্য পর্যায়ে পৌঁছায়নি এবং তাকে কোনো কার্ড দেখানো হয়নি।

বিশ্বকাপ শুরুর আগে ফিফার রেফারিজ কমিটির চেয়ারম্যান পিয়েরলুইজি কোলিনা এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছিলেন, সাধারণ বা বন্ধুত্বপূর্ণ আলাপচারিতায় মুখ ঢেকে কথা বলা নিষিদ্ধ নয়। তবে উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে এমন আচরণ আপত্তিকর মন্তব্য গোপন করার প্রচেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে, যা সরাসরি লাল কার্ডের কারণ হতে পারে।

এদিকে ম্যাচে বলের নিয়ন্ত্রণ ও আক্রমণে এগিয়ে থাকলেও ঘানার শক্ত রক্ষণভাগ ভেদ করতে পারেনি ইংল্যান্ড। ফলে গোলশূন্য ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় ১৯৬৬ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।

দুই ম্যাচ শেষে এক জয় ও এক ড্রয়ে চার পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে ইংল্যান্ড। সমান চার পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে ঘানা। গোল ব্যবধানের কারণে এগিয়ে রয়েছে ইংলিশরা। গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে শনিবার পানামার মুখোমুখি হবে থ্রি লায়ন্সরা।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad