মঙ্গলবার দুপুরে ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালামের উপস্থিতিতে এ সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানের অংশ হিসেবে সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ও দোকানপাট অপসারণ করা হয়। জনসাধারণের চলাচল নির্বিঘ্ন করা এবং নগরের সৌন্দর্য ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।
একই সময়ে সংশ্লিষ্ট এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। সম্ভাব্য মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করে লার্ভিসাইড প্রয়োগের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় স্থানে মশক নিধন করা হয়। সড়ক, ফুটপাত ও আশপাশের এলাকায় জমে থাকা বর্জ্যও অপসারণ করা হয়। এ সময় নগরবাসীকে নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলা এবং যত্রতত্র ময়লা না ফেলার আহ্বান জানানো হয়।
অভিযানকালে বিভিন্ন দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স যাচাই করা হয়। বৈধ ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা পরিচালনা এবং লাইসেন্সের শর্ত না মানার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়।
ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, অভিযানে প্রথমে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করে প্রয়োজনীয় সময় দেওয়া হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া না হলে পরবর্তী পর্যায়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, পুরো সড়ক পরিষ্কার রাখতে হবে। ফুটপাতে ব্যবসা করা ব্যক্তিদের সরে যেতে হবে। যাদের দোকানের ট্রেড লাইসেন্স নেই, তাদের লাইসেন্স নিতে হবে। লাইসেন্স নবায়নের প্রয়োজন হলে তা-ও করতে হবে।
ডিএসসিসি প্রশাসক আরও বলেন, দখলমুক্ত ফুটপাত, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, মশকমুক্ত নগর এবং নিয়মতান্ত্রিক ব্যবসা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে এ ধরনের কার্যক্রম নিয়মিত পরিচালনা করা হবে। নগরবাসীর স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করা, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা এবং সিটি করপোরেশনের বিধিবিধান বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উচ্ছেদ, মশক নিধন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও ট্রেড লাইসেন্স যাচাইয়ের সমন্বিত কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন এলাকায় পরিচালনা করা হবে।

প্রথম দর্পণ অনলাইন,ডেক্স