সোমবার রাজধানীর শাহবাগে শহীদ আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে ৪৮তম (বিশেষ) স্বাস্থ্য ক্যাডারে নবনিয়োগপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের যোগদান ও ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নবনিয়োগপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের উদ্দেশে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, চলতি বছর দেশের ইতিহাসে স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই বাজেটের যথাযথ বাস্তবায়নে নবনিয়োগপ্রাপ্ত চিকিৎসকদেরও অংশীদার হতে হবে। স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় যুক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এটিকে আরও উন্নত ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলার দায়িত্বও তাদের নিতে হবে।
তিনি বলেন, সবাইকে বিশ্বাস রাখতে হবে, একটি দল হিসেবে আগামী চার-পাঁচ বছরের মধ্যে এমন একটি স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে, যেখানে চিকিৎসকদের পুরো কর্মজীবন একটি সুন্দর, সুগঠিত, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থার অংশ হবে। একই সঙ্গে রোগী ও চিকিৎসকদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সম্মান ও সুন্দর সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যব্যবস্থার রূপরেখা তুলে ধরে নবীন চিকিৎসকদের প্রযুক্তিবান্ধব ও গবেষণামুখী হওয়ার পরামর্শ দেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, সরকার আধুনিক ও জনবান্ধব ‘ডিজিটাল হেলথ’ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে। আগামী কয়েক দশক জনগণকে নিরবচ্ছিন্ন ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা দিতে এ নতুন ব্যবস্থা গড়ে তোলায় নবীন চিকিৎসকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. আ ন ম বজলুর রশীদ, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব এ কে এম বেনজামিন রিয়াজী এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. নাজমুল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

প্রথম দর্পণ,জাতীয় ডেস্ক