সোমবার জাতীয় সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ দাবি জানান।
তাহসিনা রুশদী বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের একটি বড় অংশ ওসমানীনগর উপজেলার ওপর দিয়ে গেছে। মহাসড়কটি বর্তমানে ছয় লেনে উন্নীত করার কাজ চলছে। তবে নির্মাণকাজের পাশাপাশি বিভিন্ন জনবহুল বাজার, স্কুল-মাদরাসা ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে পর্যাপ্ত ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা এবং রোড ডিভাইডার না থাকায় নিয়মিত দুর্ঘটনা ঘটছে।
তিনি বলেন, এসব দুর্ঘটনায় প্রতিদিন সাধারণ মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন। গত জুলাই থেকে দুই মাসে প্রায় ২০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
সংসদ সদস্য বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত করার স্থায়ী নির্মাণকাজ শেষ হতে আরও সময় লাগবে। তাই কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত দুর্ঘটনা কমানো ও মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে দ্রুত অস্থায়ী নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
তিনি জানান, উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদগুলোর সমন্বয়ে মহাসড়কের ১৪টি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব স্থানের মধ্যে তাজপুর, সাদীপুর, দয়ামীর ও গোয়ালাবাজার মোড় উল্লেখযোগ্য।
তাহসিনা রুশদী বলেন, অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু ও সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চিহ্নিত ১৪টি স্থানে জরুরি ভিত্তিতে অস্থায়ী রোড ডিভাইডার নির্মাণ করা প্রয়োজন।
একই সঙ্গে নির্মাণকাজ চলাকালে মহাসড়কে কার্যকর ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা নিশ্চিত এবং দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থানগুলোতে দ্রুত প্রয়োজনীয় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক